5:32 am, Wednesday, 22 April 2026

রাজনগরে কাউয়াদিঘি হাওরের  শ্রমিক সংকটে  কম্বাইন হারবেস্টার মেশিনে বুরো শষ্য কর্তন

বিকুল চক্রবর্তী: রাজনগর উপজেলার হাইল হাওরে জলের গ্রাম অন্তেহরি গ্রামের শ্রমিক সংকট  দুর করতে শুরু করা হয়েছে কম্বাইন হারবেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাউয়াদিঘি হাওরের উত্তর অংশে কম্বাইন হারবেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটার উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজনগর কৃষি কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম, সফল কৃষক মঞ্জু চক্রবর্তী, শিক্ষক পুলক দাশ, মেসার্স এম এম এগ্রোফার্মের পরিচাক বিকুল চক্রবর্তী প্রমূখ।

কৃষক মঞ্জু চক্রবর্তী জানান, এবছর কাউয়াদিঘি হাওরে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু শ্রমিক সংকট। অনান্য বছর উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কিছু শ্রমিক আসতো কিন্তু লকডাউনের কারনে এ বছর শ্রমিক নেই। তাই তারা বিপদে। জমিতে ধান পেকে পড়ে আছে শ্রমিকের জন্য কাটতে পারেননি। এ অবস্থায় এম এম এগ্রোফার্মের উদ্যোগে এই ধান কাটার মেশিনটি পাওয়ায় তাদের খুব উপকার হয়েছে।

এ ব্যপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী জানান, করোনার কারনে প্রনোদনার বীজ ও সার দিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করায় এবছর চাষ হয়েছে বেশি। অনান্য হাওরে প্রায় ধান কাটা শেষ। কিন্তু কাউয়াদিঘি হাওর কিছুটা নিচু থাকায় এ হাওরে কেউ কম্বাইন হারবেস্টার নামাতে চান না। এম এম এগ্রো সরকারের কাছথেকে প্রনোদনায় নেয়া হারবেস্টার মেশিনটি সাহস করে এখানে নিয়ে আসায়ে এখন কৃষকরা উপকার পাবে। এ মেশিনের ফলে শ্রমিক সংকট অনেকটা দুর হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

রাজনগরে কাউয়াদিঘি হাওরের  শ্রমিক সংকটে  কম্বাইন হারবেস্টার মেশিনে বুরো শষ্য কর্তন

Update Time : 02:57:18 pm, Friday, 30 April 2021

বিকুল চক্রবর্তী: রাজনগর উপজেলার হাইল হাওরে জলের গ্রাম অন্তেহরি গ্রামের শ্রমিক সংকট  দুর করতে শুরু করা হয়েছে কম্বাইন হারবেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাউয়াদিঘি হাওরের উত্তর অংশে কম্বাইন হারবেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটার উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজনগর কৃষি কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম, সফল কৃষক মঞ্জু চক্রবর্তী, শিক্ষক পুলক দাশ, মেসার্স এম এম এগ্রোফার্মের পরিচাক বিকুল চক্রবর্তী প্রমূখ।

কৃষক মঞ্জু চক্রবর্তী জানান, এবছর কাউয়াদিঘি হাওরে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু শ্রমিক সংকট। অনান্য বছর উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কিছু শ্রমিক আসতো কিন্তু লকডাউনের কারনে এ বছর শ্রমিক নেই। তাই তারা বিপদে। জমিতে ধান পেকে পড়ে আছে শ্রমিকের জন্য কাটতে পারেননি। এ অবস্থায় এম এম এগ্রোফার্মের উদ্যোগে এই ধান কাটার মেশিনটি পাওয়ায় তাদের খুব উপকার হয়েছে।

এ ব্যপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী জানান, করোনার কারনে প্রনোদনার বীজ ও সার দিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করায় এবছর চাষ হয়েছে বেশি। অনান্য হাওরে প্রায় ধান কাটা শেষ। কিন্তু কাউয়াদিঘি হাওর কিছুটা নিচু থাকায় এ হাওরে কেউ কম্বাইন হারবেস্টার নামাতে চান না। এম এম এগ্রো সরকারের কাছথেকে প্রনোদনায় নেয়া হারবেস্টার মেশিনটি সাহস করে এখানে নিয়ে আসায়ে এখন কৃষকরা উপকার পাবে। এ মেশিনের ফলে শ্রমিক সংকট অনেকটা দুর হবে।