আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: রাজধানী কিয়েভের আশপাশের এলাকাগুলো রুশ সেনাদের কাছ থেকে পুনরায় দখলে নেওয়ার দাবি করেছে ইউক্রেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার সেনারা আক্রমণ শুরুর পর প্রথমবারের মতো কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করল দেশটি।
দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, রাশিয়া তার সেনাদের প্রধান শহরগুলো থেকে প্রত্যাহার করায় এই এলাকার দখল নেওয়া সহজ হয়েছে।
তবে সেনা প্রত্যাহারকে শান্তি আলোচনার অগ্রগতি হিসেবে দেখছে রাশিয়া।
ইউক্রেন ও তার মিত্ররা বলছে, কিয়েভের কাছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর রাশিয়া তাদের মনোযোগ পূর্ব ইউক্রেনে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে সিরিজ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী অ্যাখা দিয়ে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর কার্লা দেল পন্তে।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে শুরু হয় এই অভিযান। রাশিয়ার ছোঁড়া বোমা আর রকেটে কেঁপে উঠছে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর। এরইমধ্যে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগরী দখলে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে প্রতিদিনই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। শরণার্থী হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা শহরকে রুশ দখলমুক্ত করার জন্য লড়াই করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























