4:19 am, Sunday, 20 September 2026

লন্ডনে সেই বাংলাদেশি শিক্ষিকা হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের শিক্ষিকা সাবিনা নেসা (২৮) হত্যাকাণ্ডে  একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে লন্ডনের একটি আদালত। কোচি সেলামাজ (৩৬) নামে ওই ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৩৬ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। শুক্রবার লন্ডনের কেন্দ্রীয় অপরাধ আদালত (ওল্ড বেইলি) এই রায় ঘোষণা করেন বলে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।  গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর  দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের কিডব্রুক এলাকার একটি পার্কে  খুন হন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষিকা সাবিনা নেসা।  দক্ষিণ লন্ডনের এক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন সাবিনা নেসা। ২৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পড়াশোনা করেছেন গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাবিনা নেসাকে একজন ‘মেধাবী, দয়ালু এবং নিবেদিতপ্রাণ’ শিক্ষক বলে বর্ণনা করেছেন। সাবিনা নেসার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়। যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের একটি ছোট্ট শহরে স্যান্ডিতে থাকেন তার পরিবার। বাবা আবদুর রউফ কাজ করেন স্যান্ডির একটি রেস্টুরেন্টে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

বড়লেখার মাধকুণ্ডে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি

লন্ডনে সেই বাংলাদেশি শিক্ষিকা হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

Update Time : 04:06:35 pm, Friday, 8 April 2022

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের শিক্ষিকা সাবিনা নেসা (২৮) হত্যাকাণ্ডে  একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে লন্ডনের একটি আদালত। কোচি সেলামাজ (৩৬) নামে ওই ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৩৬ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। শুক্রবার লন্ডনের কেন্দ্রীয় অপরাধ আদালত (ওল্ড বেইলি) এই রায় ঘোষণা করেন বলে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।  গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর  দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের কিডব্রুক এলাকার একটি পার্কে  খুন হন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষিকা সাবিনা নেসা।  দক্ষিণ লন্ডনের এক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন সাবিনা নেসা। ২৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পড়াশোনা করেছেন গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাবিনা নেসাকে একজন ‘মেধাবী, দয়ালু এবং নিবেদিতপ্রাণ’ শিক্ষক বলে বর্ণনা করেছেন। সাবিনা নেসার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়। যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের একটি ছোট্ট শহরে স্যান্ডিতে থাকেন তার পরিবার। বাবা আবদুর রউফ কাজ করেন স্যান্ডির একটি রেস্টুরেন্টে।