2:40 pm, Wednesday, 22 April 2026

শমশেরনগর চা বাগানে মাদকের রমরমা ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর চা বাগানের প্রায় প্রতিটি কলোনীতে ,চাতলাপুর রোডের ঝুঁপড়ি ঘরে তৈরী দেশিও মরণ নেশা হাঁড়িয়া মদ ও গাঁজার রমরমা ব্যবসা চলছে। ফলে পরিবেশ বিনষ্ট সহ যুব সমাজ বিপথগামী হচ্ছে। নেশা খোরদের উপদ্রবে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রতিরোধে শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ভুমিকা রহস্যজনক।
জানাযায়,শমশেরনগর চা বাগান কলোনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে নিশাদল, চিটাগুড়, ইউরিয়া সার,পুরাতন ভাত সহ নানা পদার্থ মিশিয়ে চোলাই ও হাড়িয়া মদ তৈরী হয়। আর উৎপাদিত এসব মাদক বাগানের প্রতিটি কলোনিতে প্রকাশ্য বিকাল থেকে গভির রাত্রী পর্যন্ত অবাধে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে মিতা ,চন্দন , সুমা ও বড় মা নামক এর ঘরে বেশী আসর বসে থাকে।
পরিচয় প্রকাশ না করে চা বাগানে মদ উৎপাদনকারী পরিবার চন্দন ও প্রেম লাল এর সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িকে মাসোহারা দিয়েই তাঁহারা ব্যবসা চালাচ্ছেন। যার ফলে তারা এবং গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হতে হয়না। তাই তাদের দোকানে মাদক সেবনকারী একটু বেশী আসেন।
শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন এর সাথে আলাপ করলে, তিনি মাসোহার নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন,যাদের কথা বলেছেন তাদেরকে আমরা ছিনিনা। সুনিদিষ্ট অভিযোগ ফেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবো।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

শমশেরনগর চা বাগানে মাদকের রমরমা ব্যবসা

Update Time : 11:15:29 am, Sunday, 13 June 2021

স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর চা বাগানের প্রায় প্রতিটি কলোনীতে ,চাতলাপুর রোডের ঝুঁপড়ি ঘরে তৈরী দেশিও মরণ নেশা হাঁড়িয়া মদ ও গাঁজার রমরমা ব্যবসা চলছে। ফলে পরিবেশ বিনষ্ট সহ যুব সমাজ বিপথগামী হচ্ছে। নেশা খোরদের উপদ্রবে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রতিরোধে শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ভুমিকা রহস্যজনক।
জানাযায়,শমশেরনগর চা বাগান কলোনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে নিশাদল, চিটাগুড়, ইউরিয়া সার,পুরাতন ভাত সহ নানা পদার্থ মিশিয়ে চোলাই ও হাড়িয়া মদ তৈরী হয়। আর উৎপাদিত এসব মাদক বাগানের প্রতিটি কলোনিতে প্রকাশ্য বিকাল থেকে গভির রাত্রী পর্যন্ত অবাধে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে মিতা ,চন্দন , সুমা ও বড় মা নামক এর ঘরে বেশী আসর বসে থাকে।
পরিচয় প্রকাশ না করে চা বাগানে মদ উৎপাদনকারী পরিবার চন্দন ও প্রেম লাল এর সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িকে মাসোহারা দিয়েই তাঁহারা ব্যবসা চালাচ্ছেন। যার ফলে তারা এবং গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হতে হয়না। তাই তাদের দোকানে মাদক সেবনকারী একটু বেশী আসেন।
শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন এর সাথে আলাপ করলে, তিনি মাসোহার নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন,যাদের কথা বলেছেন তাদেরকে আমরা ছিনিনা। সুনিদিষ্ট অভিযোগ ফেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবো।