5:35 am, Tuesday, 25 August 2026

সঙ্গী কুঁড়ে?

ডেস্ক রিপোর্ট : ঘুম ভাঙার পরেও বিছানা ছাড়তে চায় না। একটা কোলবালিশ নিয়ে সারাদিন কাটিয়ে দিচ্ছে। ফোনকল করলে বড় জোর ১০ মিনিট কথা। তার পরেই ল্যাদ লাগছে বলে ফোন রেখে দেয়।
ছুটির দিনে হাজার আবদার করলেও বাড়ি থেকে বেরোতে চায় না। আবার শপিং! নাম শুনলেই গায়ে যেন জ্বর আসে, বয়ফ্রেন্ড বা বরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অনেক মেয়ের।
আপনার হয়তো হাসি পাচ্ছে। কিন্তু জানেন কি, পুরুষদের আলসেমির কারণে অনেক যুগলের ব্রেকআপ বা ডিভোর্স হয়ে গেছে।
কেন অলস, জানতে চেষ্টা করুন। হতে পারে আপনার প্রিয়জনটি অবসাদের শিকার। বা হয়তো তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মধুমেহ রোগ! এসবের কারণেও কাজে অনীহা আসতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা করানো জরুরি।
কঠোর হতে শিখুন
যদি দেখেন, কুঁড়েমিটা তার স্বভাব, তাহলে শক্ত হোন। সারাদিন ঘ্যান ঘ্যান করলে পুরুষরা পাত্তা দেয় না বরং ঠান্ডা মাথায় বসে আলোচনা করুন। বুঝিয়ে দিন কি চাইছেন, কেন চাইছেন। সতর্ক করুন। তবে তার মিষ্টি ব্যবহারে ভুলবেন না। কাজটা কিন্তু আপনাকেই হাসিল করতে হবে।
প্রশংসা করুন
আপনি শক্ত হলে তিনিও সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারে। তখনও অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করাবেন না বরং প্রশংসা করুন। মিলে-মিশে কাজটা করুন। এতে কাছের মানুষটাও অনুপ্রেরণা পাবে।
না পাল্টালে ভুগতে দিন
আপনার কাজে এগিয়ে না এলে, আপনিও দুই কদম পিছিয়ে যান। তার ফোনের বিল দেওয়ার কথা এ মাসে আর মনে করাবেন না। বাড়ির বৈদ্যুতিক বিলও বাকি পড়ে পড়ুক। চুপচাপ থাকুন। ফল ভুগতে দিন।
বাড়াবাড়ি করলে সম্পর্ক ভাঙুন
শুধু বাড়ির কাজকর্ম নয়, যদি দেখেন অফিসের কাজকর্মেও তার অনীহা, উন্নতির কোনো চেষ্টা নেই, তাহলে কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। ভাবতে হবে, বাকি জীবন এই সম্পর্কটা বয়ে বেড়াবেন কি না! সারা জীবন ঝগড়া-ঝাটির থেকে একবারের দুঃখ অনেক শ্রেয়। আর এটা মনে রাখা জরুরি, পরিণত বয়সের একজনকে পাল্টানো সম্ভব নয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নুসরাত হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন; ১০ জন খালাস

সঙ্গী কুঁড়ে?

Update Time : 09:12:21 am, Wednesday, 9 April 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : ঘুম ভাঙার পরেও বিছানা ছাড়তে চায় না। একটা কোলবালিশ নিয়ে সারাদিন কাটিয়ে দিচ্ছে। ফোনকল করলে বড় জোর ১০ মিনিট কথা। তার পরেই ল্যাদ লাগছে বলে ফোন রেখে দেয়।
ছুটির দিনে হাজার আবদার করলেও বাড়ি থেকে বেরোতে চায় না। আবার শপিং! নাম শুনলেই গায়ে যেন জ্বর আসে, বয়ফ্রেন্ড বা বরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অনেক মেয়ের।
আপনার হয়তো হাসি পাচ্ছে। কিন্তু জানেন কি, পুরুষদের আলসেমির কারণে অনেক যুগলের ব্রেকআপ বা ডিভোর্স হয়ে গেছে।
কেন অলস, জানতে চেষ্টা করুন। হতে পারে আপনার প্রিয়জনটি অবসাদের শিকার। বা হয়তো তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মধুমেহ রোগ! এসবের কারণেও কাজে অনীহা আসতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা করানো জরুরি।
কঠোর হতে শিখুন
যদি দেখেন, কুঁড়েমিটা তার স্বভাব, তাহলে শক্ত হোন। সারাদিন ঘ্যান ঘ্যান করলে পুরুষরা পাত্তা দেয় না বরং ঠান্ডা মাথায় বসে আলোচনা করুন। বুঝিয়ে দিন কি চাইছেন, কেন চাইছেন। সতর্ক করুন। তবে তার মিষ্টি ব্যবহারে ভুলবেন না। কাজটা কিন্তু আপনাকেই হাসিল করতে হবে।
প্রশংসা করুন
আপনি শক্ত হলে তিনিও সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারে। তখনও অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করাবেন না বরং প্রশংসা করুন। মিলে-মিশে কাজটা করুন। এতে কাছের মানুষটাও অনুপ্রেরণা পাবে।
না পাল্টালে ভুগতে দিন
আপনার কাজে এগিয়ে না এলে, আপনিও দুই কদম পিছিয়ে যান। তার ফোনের বিল দেওয়ার কথা এ মাসে আর মনে করাবেন না। বাড়ির বৈদ্যুতিক বিলও বাকি পড়ে পড়ুক। চুপচাপ থাকুন। ফল ভুগতে দিন।
বাড়াবাড়ি করলে সম্পর্ক ভাঙুন
শুধু বাড়ির কাজকর্ম নয়, যদি দেখেন অফিসের কাজকর্মেও তার অনীহা, উন্নতির কোনো চেষ্টা নেই, তাহলে কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। ভাবতে হবে, বাকি জীবন এই সম্পর্কটা বয়ে বেড়াবেন কি না! সারা জীবন ঝগড়া-ঝাটির থেকে একবারের দুঃখ অনেক শ্রেয়। আর এটা মনে রাখা জরুরি, পরিণত বয়সের একজনকে পাল্টানো সম্ভব নয়।