4:08 am, Wednesday, 22 April 2026

সরাসরি কলের পানি পানে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী

ডেস্ক রিপোর্ট :: বেশ কয়েক দিনে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে রাজধানীতে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) মহাখালী হাসপাতাল এবং রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা শিশু হাসপাতালে এ সংক্রান্ত রোগীর ভর্তি অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

ভর্তি হওয়া এসব রোগীর বেশির ভাগই সরাসরি কলের পানি পান করেন। তবে ভ্যাপসা গরমকেও দায়ী করছেন অনেকে।

চিকিৎসকরা জানান, ডায়রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বেশিরভাগই মিরপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, গাবতলি, মোহাম্মদপুর এলাকার। এসব রোগী সরাসরি কলের পানি, ভ্যাপসা গরম ও খাদ্যে অসচেতনতার কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) হাসপাতালগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দেড় মাসে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তার আগের একই সময়ে চেয়ে অনেক বেশি।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত আবাসিক চিকিৎসক ডা. নাদিরা খান বলেন, হাসপাতালে আসার পর আমরা উপসর্গগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে কিছু পরীক্ষা করি। এরপর চার ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। খাবারে অনিয়মের কারণে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। রোজায় সব বাসায় ভাজা-পোড়া ও তেলযুক্ত খাবারের আয়োজন বেশি হয়। ফলে খাদ্যে অসচেতনতা একটি বড় সমস্যা। অনেকে সরাসরি কলের পানি পান করে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

সরাসরি কলের পানি পানে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী

Update Time : 04:52:00 am, Saturday, 16 April 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: বেশ কয়েক দিনে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে রাজধানীতে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) মহাখালী হাসপাতাল এবং রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা শিশু হাসপাতালে এ সংক্রান্ত রোগীর ভর্তি অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

ভর্তি হওয়া এসব রোগীর বেশির ভাগই সরাসরি কলের পানি পান করেন। তবে ভ্যাপসা গরমকেও দায়ী করছেন অনেকে।

চিকিৎসকরা জানান, ডায়রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বেশিরভাগই মিরপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, গাবতলি, মোহাম্মদপুর এলাকার। এসব রোগী সরাসরি কলের পানি, ভ্যাপসা গরম ও খাদ্যে অসচেতনতার কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) হাসপাতালগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দেড় মাসে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তার আগের একই সময়ে চেয়ে অনেক বেশি।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত আবাসিক চিকিৎসক ডা. নাদিরা খান বলেন, হাসপাতালে আসার পর আমরা উপসর্গগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে কিছু পরীক্ষা করি। এরপর চার ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। খাবারে অনিয়মের কারণে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। রোজায় সব বাসায় ভাজা-পোড়া ও তেলযুক্ত খাবারের আয়োজন বেশি হয়। ফলে খাদ্যে অসচেতনতা একটি বড় সমস্যা। অনেকে সরাসরি কলের পানি পান করে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।