ডেস্ক রিপোর্ট :: চলমান কারফিউ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল রিচার্জ করতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন
সিলেটের মানুষ। রিচার্জ করতে না পারায় ইতোমধ্যে অনেকের বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে অর্বনীয় ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রি-পেইড গ্রাহকরা। অনেকেই বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে রিচার্জ করছেন।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা বলছেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিচার্জ করতে না পারায় অনেকের বাসা বাড়িতে সংযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
নগরীর শিবগঞ্জের বাসিন্দা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জানান, গত সোমবার তার বাসার প্রিপেইড মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়। সোমবার পুরো রাত তিনি অন্ধকারে ছিলেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি উপশহরস্থ বিদ্যুৎ অফিসে যান। সেখানে গিয়ে কয়েক শ’ মানুষের লাইন দেখতে পান। বিকেল ৩টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে তিনি শেষ পর্যন্ত ব্যালেন্স রিচার্জ করতে পেরেছেন।
উত্তর কাজিটুলার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানান, তার গ্যাসের প্রিপেইড মিটারের ব্যালেন্স। এরপর ইমার্জেন্সি হিসেবে ১৬ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করেছেন। এরপরও ইন্টারনেট সেবা চালু না হওয়ায় তিনি ব্যালেন্স রিচার্জ করতে পারেননি। ফলে গতকাল বুধবার তার বাসার চুলা জ্বলেনি।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেট অফিস জানায়, সিলেট অঞ্চলে পিডিবির ৫ লাখ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৬৩ ভাগ প্রি-পেইড গ্রাহক রয়েছে। এসব গ্রাহকদের নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ রাখতে রাখতে সিলেটের প্রতিটি বিদুৎ অফিসে একাধিক বুথ চালু করা হয়েছে। এই বুথে প্রি-পেইড রিচার্জ সেবা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া সিলেট নগরী ও আশপাশের এলাকায় ৫টি বিদুৎ অফিসে ১৮ টি বুথে রিচার্জ সেবা দেওয়া হচ্ছে।
একই অবস্থা বাসা বাড়িতে আবাসিক গ্যাস ব্যবহারকারীদের। জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন এ্যান্ড ডিস্টিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড গ্রাহকদের জন্য জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশে চলমান পরিস্থিতে গ্যাসের রিচার্জ ফুরিয়ে গেলে মিটারে জরুরী ব্যালেন্স ৮ ঘনমিটারের সাথে আরও ৮ ঘনমিটার অথাৎ মোট ১৬ ঘনমিটার গ্যাস প্রি-পেউড মিটার সিস্টেম হতে অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 





















