9:40 am, Wednesday, 22 April 2026

‘সে জানতোই না আমি অনিল কাপুরের মেয়ে’

বিনোদন ডেস্ক : বুধবার ৯ জুন ৩৭-এ পা দিলেন সোনম কাপুর। ২০০৭ থেকে একে একে বলিউডে কাটলো তার ১৪টি বছর। শুরু থেকেই বলা যায় নিজ গুণে উঠেছেন জনপ্রিয়তার চূড়ায়। এর মাঝে আনন্দ আহুজাকে বিয়ে করেছেন বছর তিনেক পার হলো।

জন্মদিন উপলক্ষে ফিল্মফেয়ার-এর সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে বললেন আহুজার সঙ্গে তার পরিচয় হওয়ার গল্পটা।

‘ঘটনা’ ঘটিয়েছিল সোনমের বন্ধুরাই। ২০১৫ সালের ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’র প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিলেন সোনম। আর বন্ধুরা চাচ্ছিল তাকে যে করেই হোক ধরেবেঁধে একটা বয়ফ্রেন্ড জুটিয়ে দিতে হবে। এ জন্য তারা সোনমকে নিয়ে যান একটা বারে। এমনটা করার কারণও আছে। কারণ, সোনম একগুঁয়ের মতো বলেই যেতেন, এসব প্রেম বিয়ে আমাকে দিয়ে হবে না। তো সেখানে ‘বন্ধুর বন্ধু’ হিসেবে আগে থেকেই হাজির ছিলেন তিন জন। কিন্তু বন্ধুরা যার কথা আগে থেকে ঠিক করে রেখেছিলেন, তিনি আহুজা ছিলেন না। ছিলেন আহুজার বন্ধু।

‘আমি আনন্দ ও তার বন্ধুদের দেখলাম। তার সেই বন্ধু (যার সঙ্গে বন্ধুরা চাচ্ছিল একটা কিছু ঘটুক) আমার মতোই লম্বা, শিক্ষিত, মার্জিত। তার আর আমার পছন্দের বইও এক। সে-ও হিন্দি সিনেমার বিশাল ভক্ত। আর এসব কারণেই সম্ভবত তাকে দেখলেই আমার ভাই হর্ষর (কাপুর) কথা মনে পড়ে যায়। আমি মনে মনে বলছিলাম, আরে এ তো হর্ষ, এর সঙ্গে ডেটে যেতে পারবো না।’

সোনম আরও বলেন, ‘অন্যদিকে আনন্দ ছিল ঠিক তার উল্টো। এমনকি সে জানতোই না যে অনিল কাপুর আমার বাবা! সেদিন পুরো সন্ধ্যা আমি আনন্দের সঙ্গেই গল্প করে কাটাই। আনন্দ মাঝে এক-দুইবার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চাইছিল আমি যেন তার বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করি। কিন্তু দেখা গেলো কথা হচ্ছিল বারবার তার সঙ্গেই। বাকিটা ইতিহাস।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

‘সে জানতোই না আমি অনিল কাপুরের মেয়ে’

Update Time : 06:52:10 am, Saturday, 12 June 2021

বিনোদন ডেস্ক : বুধবার ৯ জুন ৩৭-এ পা দিলেন সোনম কাপুর। ২০০৭ থেকে একে একে বলিউডে কাটলো তার ১৪টি বছর। শুরু থেকেই বলা যায় নিজ গুণে উঠেছেন জনপ্রিয়তার চূড়ায়। এর মাঝে আনন্দ আহুজাকে বিয়ে করেছেন বছর তিনেক পার হলো।

জন্মদিন উপলক্ষে ফিল্মফেয়ার-এর সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে বললেন আহুজার সঙ্গে তার পরিচয় হওয়ার গল্পটা।

‘ঘটনা’ ঘটিয়েছিল সোনমের বন্ধুরাই। ২০১৫ সালের ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’র প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিলেন সোনম। আর বন্ধুরা চাচ্ছিল তাকে যে করেই হোক ধরেবেঁধে একটা বয়ফ্রেন্ড জুটিয়ে দিতে হবে। এ জন্য তারা সোনমকে নিয়ে যান একটা বারে। এমনটা করার কারণও আছে। কারণ, সোনম একগুঁয়ের মতো বলেই যেতেন, এসব প্রেম বিয়ে আমাকে দিয়ে হবে না। তো সেখানে ‘বন্ধুর বন্ধু’ হিসেবে আগে থেকেই হাজির ছিলেন তিন জন। কিন্তু বন্ধুরা যার কথা আগে থেকে ঠিক করে রেখেছিলেন, তিনি আহুজা ছিলেন না। ছিলেন আহুজার বন্ধু।

‘আমি আনন্দ ও তার বন্ধুদের দেখলাম। তার সেই বন্ধু (যার সঙ্গে বন্ধুরা চাচ্ছিল একটা কিছু ঘটুক) আমার মতোই লম্বা, শিক্ষিত, মার্জিত। তার আর আমার পছন্দের বইও এক। সে-ও হিন্দি সিনেমার বিশাল ভক্ত। আর এসব কারণেই সম্ভবত তাকে দেখলেই আমার ভাই হর্ষর (কাপুর) কথা মনে পড়ে যায়। আমি মনে মনে বলছিলাম, আরে এ তো হর্ষ, এর সঙ্গে ডেটে যেতে পারবো না।’

সোনম আরও বলেন, ‘অন্যদিকে আনন্দ ছিল ঠিক তার উল্টো। এমনকি সে জানতোই না যে অনিল কাপুর আমার বাবা! সেদিন পুরো সন্ধ্যা আমি আনন্দের সঙ্গেই গল্প করে কাটাই। আনন্দ মাঝে এক-দুইবার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চাইছিল আমি যেন তার বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করি। কিন্তু দেখা গেলো কথা হচ্ছিল বারবার তার সঙ্গেই। বাকিটা ইতিহাস।’