9:16 pm, Tuesday, 21 April 2026

হবিগঞ্জের সাতছড়ি থেকে মর্টার সেল ও গুলি উদ্ধার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ভেতর থেকে ১৫টি মর্টার সেল ও ৪ বক্স গুলি উদ্ধার করেছে কাউন্টার টেররিজমেন একটি ইউনিট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউন্টার টেররিজম ইউনিয়টের ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, সোমবার রাত ৩টা থেকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৫টি মর্ডার সেল ও ৪ বক্স গুলি উদ্ধার করা হয়।

বর্তমানে উদ্যানের ভেতরে অন্য একটি স্থানে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি। সেখানেও অস্ত্র পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান।

জানা যায়, এর আগে চলতি বছরের গত ২ মার্চ অভিযান চালিয়ে ১৮টি কামান বিধ্বংসী রকেট সেল উদ্ধার করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটাগান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটোরাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

এরপর আবারো ওই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহিন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগাজিন, ২৫০গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়। ৫ম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে সাতছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। ৬ষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

হবিগঞ্জের সাতছড়ি থেকে মর্টার সেল ও গুলি উদ্ধার

Update Time : 07:42:34 am, Monday, 27 December 2021

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ভেতর থেকে ১৫টি মর্টার সেল ও ৪ বক্স গুলি উদ্ধার করেছে কাউন্টার টেররিজমেন একটি ইউনিট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউন্টার টেররিজম ইউনিয়টের ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, সোমবার রাত ৩টা থেকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৫টি মর্ডার সেল ও ৪ বক্স গুলি উদ্ধার করা হয়।

বর্তমানে উদ্যানের ভেতরে অন্য একটি স্থানে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি। সেখানেও অস্ত্র পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান।

জানা যায়, এর আগে চলতি বছরের গত ২ মার্চ অভিযান চালিয়ে ১৮টি কামান বিধ্বংসী রকেট সেল উদ্ধার করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটাগান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটোরাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

এরপর আবারো ওই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহিন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগাজিন, ২৫০গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়। ৫ম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে সাতছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। ৬ষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।