আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া কিইভকে ২১০ ইউক্রেনীয় যোদ্ধার মরদেহ ফেরত দিয়েছে যাদের অধিকাংশই মারিউপোলের বিশাল ইস্পাত কারখানার প্রতিরোধ যুদ্ধে নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার এক ঘোষণায় ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী এ খবর জানিয়েছে।
রাশিয়ার বাহিনীগুলো ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর শহরটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া চেষ্টাকালে ইউক্রেনীয় যোদ্ধারা আজভস্তাইল ইস্পাত কারখানায় অবস্থান নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। প্রায় তিন মাস ধরে প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার পর রুশ বাহিনীর অবরোধের মধ্যে খাবার, ওষুধ ও গোলাগুলি ফুরিয়ে যাওয়ায় কারখানাটিতে অবস্থান নেওয়া প্রায় আড়াই হাজার ইউক্রেনীয় যোদ্ধা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। আত্মসমর্পণের পর রাশিয়া তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা অধিদপ্তর টুইটারে বলেছে, ‘মারিউপোলের নিহত প্রতিরোধকারীদের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত আমাদের ২১০ জন সেনার (মৃতদেহ) ফেরত দেওয়া হয়েছে- তাদের অধিকাংশই আজভস্তাইলের বীর রক্ষক।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আত্মসমর্পণ করা আজভস্তাইলের প্রতিরোধকারীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে সে বিষয়ে খুব অল্প তথ্য পাওয়া গেছে। বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের সবাইকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কিইভ, কিন্তু রাশিয়ার বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা কিছু সেনাকে বিচারের কাঠগারায় তুলতে চান।
ইউক্রেনের ন্যাশনাল গার্ডের অজভ ইউনিটের পরিবারগুলো এর আগে জানিয়েছিল, কিছু মৃতদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এক ঘোষণায় ইউক্রেনের ‘সাময়িকভাবে অধিকৃত অঞ্চল পুনঃএকত্রীকরণ’ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সপ্তাহে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ১৬০টি মৃতদেহ বিনিময় হয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ওই পরিবারগুলো জানিয়েছে, ‘এটা লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ যে (হস্তান্তর করা) এক-তৃতীয়াংশ মৃতদেহ আজভ যোদ্ধাদের।’
মারিউপোলের ইস্পাত কারখানার প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আজভ রেজিমেন্টকে উগ্র ডানপন্থি উৎস থেকে উৎপত্তি হওয়া একটি ‘নাৎসি’ মিলিশিয়া বাহিনী বলে গণ্য করে রাশিয়া।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



























