2:50 pm, Saturday, 31 October 2026

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার

ডেস্ক রিপোর্ট : ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী। বরিশাল, যশোর ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৫৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন।

গত ২২ বছরের ফলাফলে এমন চিত্র দেখা যায়নি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৮ শতাংশ।

এরপর গত ২২ বছরে পাসের হার কখনো এত নিচে নামেনি।
২০০৫ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশে।

২০০৬ সালে প্রায় ৬৪ শতাংশ, ২০০৮ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং ২০১২ সালে ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।
পরবর্তী বছরগুলোতেও পাসের হার ওঠানামা করেছে।

২০১৭ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে প্রায় ৭২ শতাংশ।
করোনার কারণে ২০২০ সালে সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়। ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশে। ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।

২০২৫ সালে পাসের হার কমে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে দাঁড়ায়। এবার তা আরও কমে হয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।

শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার

Update Time : 08:28:28 am, Saturday, 31 October 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী। বরিশাল, যশোর ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৫৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন।

গত ২২ বছরের ফলাফলে এমন চিত্র দেখা যায়নি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৮ শতাংশ।

এরপর গত ২২ বছরে পাসের হার কখনো এত নিচে নামেনি।
২০০৫ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশে।

২০০৬ সালে প্রায় ৬৪ শতাংশ, ২০০৮ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং ২০১২ সালে ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।
পরবর্তী বছরগুলোতেও পাসের হার ওঠানামা করেছে।

২০১৭ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে প্রায় ৭২ শতাংশ।
করোনার কারণে ২০২০ সালে সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়। ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশে। ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।

২০২৫ সালে পাসের হার কমে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে দাঁড়ায়। এবার তা আরও কমে হয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।

শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।