কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের এক প্রবাসীর বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়াও প্রতিপক্ষের লোকজন প্রবাসীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করায় এক সংবাদ সম্মেলন করেন ওমান প্রবাসী মোস্তাকার হোসেন প্রকাশ উকিল।বুধবার বিকেলে আদমপুর ইউনিয়নের আধকানী গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রবাসী মোস্তাকার হোসেন প্রকাশ উকিল বলেন, বসতবাড়ির জায়গাটি কিছু অংশ মায়ের হতে মৌরশী ও কিছু অংশ ক্রয়সুত্রে মালিক হই। এ জমিতে প্রায় ৩০ বছর যাবত বসবাস করে আসছি। কিন্তু পাশবর্র্তী আরিফ মিয়ার ছেলে রাজু আহমদ পারভীন গংরা দীর্ঘদিন যাবত বসতবাড়ি দখল করার পাঁয়তারা করছে। গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আমার বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় রাজু আহমদ পারভীন, মিজান মিয়া, দেলোয়ার হোসেন সিবার, বাহার উদ্দিন ও ফরিদ মিয়া রাজমিস্ত্রীদের ভয়ভীতি দোিখতে তাড়িয়ে দেন। জায়গাটি কিছু অংশ মায়ের হতে মৌরশী ও কিছু অংশ ক্রয়সুত্রে মালিক বলে প্রবাসীর পরিবার জানানোর পর বিবাদীরা তাদেরকে হামলা করার চেষ্টা করে। এ সময় চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আমাদের উদ্ধার করে।এ ঘটনায় প্রবাসী মোস্তাকার হোসেন এর স্ত্রী মজিরুন বেগম বাদী হয়ে রাজু আহমদ পারভীনকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ওমান প্রবাসী নিজের ও পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের আশু দৃষ্টি কামনা করে বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর বিবাদীরা নানাভাবে হুমকি প্রদান করছে।অভিযুক্ত রাজু আহমদ পারভীন জানান, চাচাতো ভাই আবুল কালাম ওরপে কালাম বাবু এ জমি আমার কাছে বিক্রি করেন। জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর ঐ ভুমিতে দীর্ঘদিন ধরে ফসল ফলিয়ে ভোগ দখল করতেছি। ক্রয়কৃত জমির অংশে সীমানা প্রাচীর করলে বাঁধা দেই। টাকা দিয়ে জমি কিনে এখন টাকা ও জমি হারিয়ে সর্বশান্ত হওয়ার পথে।তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অনিক দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যাই। জমিজমার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমাধান করার জন্য উভয় পক্ষকে শান্তনা দিয়েছি।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবদাল হোসেন বলেন, জমি নিয়ে একটা ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। এক পক্ষ রাজু বিচার প্রার্থী হলেও অন্য পক্ষ এখনো আসেনি। উভয় পক্ষ যোগাযোগ করলে সালিশে দেখে দেয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















