12:17 am, Friday, 22 May 2026

স্বাস্থ্যবিধি মানুন, নিজে বাঁচুন দেশটাকে বাঁচান: পুলিশ সদর দফতর

অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে বিধিনিষেধ মেনে চলাই সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ বলে মনে করে পুলিশ সদর দফতর। এ জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—একটুখানি সাবধানতা অবলম্বন করে নিজে বাঁচুন, এই দেশটাকে বাঁচান। পুলিশ সদর দফতর থেকে জানানো হয়, গত ১৪ এপ্রিল থেকে দেশে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯-এর বিস্তার রোধে সার্বিক কাজ ও চলাচলে বিধিনিষেধ চলছে। ১৩তম দিনে (বৃহস্পতিবার) এসে দেখুন, সংক্রমণ কতখানি কমেছে! যারা এই বিধিনিষেধ মেনেছেন, তাদের কারণেই এই বিপর্যয় মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে।
অনেকেই চলমান বিধিনিষেধ, বাধ্যবাধকতা, কঠোরতার সীমিতকরণ নিয়ে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—যে যা-ই বলুক না কেন, সংক্রমণ বেড়ে গেলে তা কমানোর একমাত্র কার্যকরী ও পরীক্ষিত উপায় হলো মানুষকে ঘরে রাখা। ঘরের বাইরে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। যদি পরিপূর্ণভাবে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, তাহলে গ্রাফটা আরও স্বস্তিদায়ক হতো, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
করোনার ভয়াল থাবায় আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত বিপর্যস্ত। ইন্টারনেটের কল্যাণে আমরা সেসব দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। ইতোমধ্যে ভারতে করোনার ডাবল মিউটেশন স্টেইন ধরা পড়েছে, যা ৩০০ গুণ বেশি সংক্রামক বলে দাবি করা হচ্ছে। ঘনবসতির দেশ বাংলাদেশে করোনার সেই ধরন প্রবেশ করলে সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।
দয়া করে বাকি দিনগুলোতে বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলুন। মাস্ক ব্যবহার করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করুন। কেবল তাহলেই অতিমারি করোনার এই প্রকোপ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আপনার একটুখানি সাবধানতা ও সচেতনতাই পারে আপনাকে, আপনার পরিবারকে, এই দেশকে সুরক্ষিত রাখতে। নিজে বাঁচুন, এই দেশটাকে বাঁচান।
Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

স্বাস্থ্যবিধি মানুন, নিজে বাঁচুন দেশটাকে বাঁচান: পুলিশ সদর দফতর

Update Time : 07:00:49 pm, Thursday, 29 April 2021
অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে বিধিনিষেধ মেনে চলাই সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ বলে মনে করে পুলিশ সদর দফতর। এ জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—একটুখানি সাবধানতা অবলম্বন করে নিজে বাঁচুন, এই দেশটাকে বাঁচান। পুলিশ সদর দফতর থেকে জানানো হয়, গত ১৪ এপ্রিল থেকে দেশে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯-এর বিস্তার রোধে সার্বিক কাজ ও চলাচলে বিধিনিষেধ চলছে। ১৩তম দিনে (বৃহস্পতিবার) এসে দেখুন, সংক্রমণ কতখানি কমেছে! যারা এই বিধিনিষেধ মেনেছেন, তাদের কারণেই এই বিপর্যয় মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে।
অনেকেই চলমান বিধিনিষেধ, বাধ্যবাধকতা, কঠোরতার সীমিতকরণ নিয়ে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—যে যা-ই বলুক না কেন, সংক্রমণ বেড়ে গেলে তা কমানোর একমাত্র কার্যকরী ও পরীক্ষিত উপায় হলো মানুষকে ঘরে রাখা। ঘরের বাইরে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। যদি পরিপূর্ণভাবে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, তাহলে গ্রাফটা আরও স্বস্তিদায়ক হতো, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
করোনার ভয়াল থাবায় আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত বিপর্যস্ত। ইন্টারনেটের কল্যাণে আমরা সেসব দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। ইতোমধ্যে ভারতে করোনার ডাবল মিউটেশন স্টেইন ধরা পড়েছে, যা ৩০০ গুণ বেশি সংক্রামক বলে দাবি করা হচ্ছে। ঘনবসতির দেশ বাংলাদেশে করোনার সেই ধরন প্রবেশ করলে সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।
দয়া করে বাকি দিনগুলোতে বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলুন। মাস্ক ব্যবহার করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করুন। কেবল তাহলেই অতিমারি করোনার এই প্রকোপ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আপনার একটুখানি সাবধানতা ও সচেতনতাই পারে আপনাকে, আপনার পরিবারকে, এই দেশকে সুরক্ষিত রাখতে। নিজে বাঁচুন, এই দেশটাকে বাঁচান।