6:48 pm, Friday, 22 May 2026

সুনামগঞ্জে কমছে নদনদীর পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কমতে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদনদীর পানি। সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে দিয়ে ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। গেল ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ২৪ মিলিমিটার।

পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আগামী কিছুদিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ায় ধীরে ধীরে লোকালয় ও রাস্তাঘাট থেকে পানি কমতে পারে বলেও জানানো হয়।

এদিকে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে গত দুই ধরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার বন্যা কবলিত এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। পানি কমতে শুরু করায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে বন্যার পানি ধীর গতিতে কমতে থাকলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। টানা দুই সপ্তাহ পানিবন্দী থাকায় খাদ্য সংকট, পানি,স্যানিটেশন, চিকিৎসাসহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে বন্যার্ত এলাকায়। ডায়েরি, চরম রোগসহ বিভিন্ন পানি বাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন বাহিনী ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত থাকলেও গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো এসব ত্রাণ বা সেবা পৌঁছতেছে না বলে অভিযোগ রয়েছে বানভাসিদের।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

সুনামগঞ্জে কমছে নদনদীর পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ

Update Time : 10:28:49 am, Friday, 1 July 2022

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কমতে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদনদীর পানি। সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে দিয়ে ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। গেল ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ২৪ মিলিমিটার।

পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আগামী কিছুদিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ায় ধীরে ধীরে লোকালয় ও রাস্তাঘাট থেকে পানি কমতে পারে বলেও জানানো হয়।

এদিকে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে গত দুই ধরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার বন্যা কবলিত এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। পানি কমতে শুরু করায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে বন্যার পানি ধীর গতিতে কমতে থাকলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। টানা দুই সপ্তাহ পানিবন্দী থাকায় খাদ্য সংকট, পানি,স্যানিটেশন, চিকিৎসাসহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে বন্যার্ত এলাকায়। ডায়েরি, চরম রোগসহ বিভিন্ন পানি বাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন বাহিনী ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত থাকলেও গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো এসব ত্রাণ বা সেবা পৌঁছতেছে না বলে অভিযোগ রয়েছে বানভাসিদের।