12:58 pm, Wednesday, 10 June 2026

গ্রাম আদালত আইনে জরিমানার পরিমাণ বাড়ল

ডেস্ক রিপোর্ট :: গ্রাম আদালত আইনে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। আগে গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে।

গ্রাম আদালত সংশোধন আইন-২০২২ এর খসড়া সোমবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। সেখানেই জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ার ইসলাম এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান।

এর আগে, সর্বশেষ গ্রাম আদালত আইন, ২০১২ (সংশোধনী) প্রস্তাবের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া আদালতে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।

গ্রাম আদালত হলো গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় গঠিত আদালত। গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এ আদালত বসে।

গ্রাম আদালতের এখতিয়ারসম্পন্ন মামলা অন্য কোনো আদালত গ্রহণ করতে পারে না। গ্রাম আদালতে মামলা করলে কোনো আইনজীবী লাগে না। স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গণ্যমান্য বিচারকের উপস্থিতিতে এ আদালত বসে। আদালতের বিচারক সংখ্যা ৫ জন। দুই জন মনোনীত সদস্য থাকবেন আবেদনকারীর পক্ষে এবং দুই জন সদস্য হবেন প্রতিবাদীর পক্ষে। যার মধ্যে একজনকে অবশ্যই হতে হবে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য। স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিচার অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রাম আদালতে বিচারযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে বিবাদের যেকোনো পক্ষ বিচার চেয়ে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে ৪ টাকা (দেওয়ানি মামলা হলে) অথবা ২ টাকা (ফৌজদারি মামলা হলে) ফি দিয়ে আবেদন করতে পারেন।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গ্রাম আদালত আইনে জরিমানার পরিমাণ বাড়ল

Update Time : 02:20:32 pm, Monday, 25 July 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: গ্রাম আদালত আইনে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। আগে গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে।

গ্রাম আদালত সংশোধন আইন-২০২২ এর খসড়া সোমবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। সেখানেই জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ার ইসলাম এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান।

এর আগে, সর্বশেষ গ্রাম আদালত আইন, ২০১২ (সংশোধনী) প্রস্তাবের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া আদালতে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।

গ্রাম আদালত হলো গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় গঠিত আদালত। গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এ আদালত বসে।

গ্রাম আদালতের এখতিয়ারসম্পন্ন মামলা অন্য কোনো আদালত গ্রহণ করতে পারে না। গ্রাম আদালতে মামলা করলে কোনো আইনজীবী লাগে না। স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গণ্যমান্য বিচারকের উপস্থিতিতে এ আদালত বসে। আদালতের বিচারক সংখ্যা ৫ জন। দুই জন মনোনীত সদস্য থাকবেন আবেদনকারীর পক্ষে এবং দুই জন সদস্য হবেন প্রতিবাদীর পক্ষে। যার মধ্যে একজনকে অবশ্যই হতে হবে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য। স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিচার অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রাম আদালতে বিচারযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে বিবাদের যেকোনো পক্ষ বিচার চেয়ে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে ৪ টাকা (দেওয়ানি মামলা হলে) অথবা ২ টাকা (ফৌজদারি মামলা হলে) ফি দিয়ে আবেদন করতে পারেন।