1:10 pm, Wednesday, 10 June 2026

মৌলভীবাজার কুলাউড়ায় এক সংখ্যালঘু নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর অর্থ আদায়

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সংখ্যালঘু এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে অভিযুক্তরা।

অভিযুক্তরা হলো হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ বক্সের ছোট ভাই ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছালিক বক্স, মানগাঁও গ্রামের হাসানুল বারী সানী ও শরীফপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুর রহমান। ধর্ষণের শিকার নারী বাদী হয়ে সোমবার ছালিক বক্সকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় মামলা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন ওই নারী হাজীপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া বাজারে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যান। তাকে রেখে ওই আত্মীয় বাজারে নিজের দোকানে যান। এ সুযোগে রাতে চেয়ারম্যানের ভাই ছালিক তার সহযোগী সানী দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এতে সহায়তা করেন শরীফপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাইফুর। এ সময় আসামিরা ওই নারীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দেওয়ার শর্তে ২ লাখ টাকা দাবি করে। পরে ভুক্তভোগীর আত্মীয়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের কয়েকটি টিম।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক বলেন, এ ঘটনায় বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন ওই নারী। পরে গত সোমবার বিকেলে তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মৌলভীবাজার কুলাউড়ায় এক সংখ্যালঘু নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর অর্থ আদায়

Update Time : 09:55:29 am, Thursday, 6 July 2023

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সংখ্যালঘু এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে অভিযুক্তরা।

অভিযুক্তরা হলো হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ বক্সের ছোট ভাই ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছালিক বক্স, মানগাঁও গ্রামের হাসানুল বারী সানী ও শরীফপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুর রহমান। ধর্ষণের শিকার নারী বাদী হয়ে সোমবার ছালিক বক্সকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় মামলা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন ওই নারী হাজীপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া বাজারে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যান। তাকে রেখে ওই আত্মীয় বাজারে নিজের দোকানে যান। এ সুযোগে রাতে চেয়ারম্যানের ভাই ছালিক তার সহযোগী সানী দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এতে সহায়তা করেন শরীফপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাইফুর। এ সময় আসামিরা ওই নারীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দেওয়ার শর্তে ২ লাখ টাকা দাবি করে। পরে ভুক্তভোগীর আত্মীয়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রতন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের কয়েকটি টিম।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক বলেন, এ ঘটনায় বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন ওই নারী। পরে গত সোমবার বিকেলে তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।