ডেস্ক রিপোর্ট : ডিমের বাজার নামতে শুরু করলেও এক ডজন ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে দেড়শ’ টাকা। বাজারে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও কমছে না দাম। সয়াবিন তেল, চিনি ও চালের দাম কমলেও মসলার দর আকাশছোঁয়া।
বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে কিছুতেই আর নামতে চায় না। নিম্নআয়ের মানুষের পুষ্টির অন্যতম অনুসঙ্গ ডিমের উচ্চমূল্যে অস্থির বাজার। কিছুটা কমলেও এখনো এক ডজন ডিম কেনার খরচ দেড়শ’ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে দাম। তারপরও ক্রেতারা তো বটেই বিক্রেতারাও এই দামেও সন্তুষ্ট নন।
দেশী মুরগী আগের বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লারের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে।
বাজারে ইলিশের সরবরাহ থামলেও দাম বেশি। অন্য মাছের বাজারও বেশ চড়া।
খাশি এগারোশ’ ও গরুর মাংস সাড়ে সাতশ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মজুত থাকায় চালের বাজার স্থিতিশীল। ভোজ্য তেল, ডালে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও গরম মসলার বাজার চড়া।
এদিকে বাজারে সব ধরনের সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকার উপরে।
নিত্যপণ্যের বাজারের উচ্চমূল্যের জন্য সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন ক্রেতারা। এ অবস্থায় কঠোর নজরদারির দাবি ভোক্তাদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



























