5:51 am, Friday, 6 November 2026

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩টি সমঝোতা স্মারক সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। শুক্রবার (৮ই সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

মোমেন জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে একমত দুদেশই; এটি উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য, সব দেশের জন্য মঙ্গল।

তিনটি সমঝোতা সই হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যার মধ্যে আছে কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি, পারস্পরিক লেনদেন আরও সহজ করা। রুপির বিপরীতে টাকায় লেনদেন করা যাবে। অর্থাৎ কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা রুপিতে বাণিজ্য করতে পারব।

এদিকে বৈঠক শেষে এক্স বার্তায় মোদি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই আনন্দদায়ক। আমাদের আলোচনায় যোগাযোগ, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং আরও অনেক কিছুর মতো বিষয় উঠে এসেছে।

জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকেসহ সফরসঙ্গীদের বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করে নেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোশ। এবারের জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী দুটি অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩টি সমঝোতা স্মারক সই

Update Time : 07:16:44 am, Saturday, 9 September 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। শুক্রবার (৮ই সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

মোমেন জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে একমত দুদেশই; এটি উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য, সব দেশের জন্য মঙ্গল।

তিনটি সমঝোতা সই হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যার মধ্যে আছে কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি, পারস্পরিক লেনদেন আরও সহজ করা। রুপির বিপরীতে টাকায় লেনদেন করা যাবে। অর্থাৎ কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা রুপিতে বাণিজ্য করতে পারব।

এদিকে বৈঠক শেষে এক্স বার্তায় মোদি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই আনন্দদায়ক। আমাদের আলোচনায় যোগাযোগ, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং আরও অনেক কিছুর মতো বিষয় উঠে এসেছে।

জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকেসহ সফরসঙ্গীদের বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করে নেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোশ। এবারের জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী দুটি অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।