1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

৬০ শতাংশ সংক্রমিত ফকির আলমগীরের ফুসফুস

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১৫৬ বার পঠিত

বিনোদন ডেস্ক :: বরেণ্য গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় রাখা হয়েছে আইসিইউতে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফকির আলমগীরের ফুসফুস ৬০ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছে। এছাড়া ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তার।

গুণী এই শিল্পীর শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ খবর জানিয়ে তার ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব বলেন, স্বাভাবিক নিয়মে বাবাকে খাওয়ানো যাচ্ছে না। এজন্য নল দিয়ে বিশেষ উপায়ে খাওয়াতে হচ্ছে। বাবার ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে। চিকিৎসকেরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবার (১৬ জুলাই) বাবাকে দুই ব্যাগ প্লাজমা আর ইনজেকশনও দেওয়া হয়েছে। বাবার অবস্থা বর্তামানে অপরিবর্তিত রয়েছে। সবার কাছে বাবার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।

গত বুধবার (১৪ জুলাই) ফকির আলমগীরের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

উল্লেখ্য, ফকির আলমগীর একজন কণ্ঠযোদ্ধা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন। অবশ্য এর আগে ষাটের দশক থেকেই গণসংগীত গেয়ে আসছিলেন তিনি। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে অসামান্য ভূমিকা রাখেন তিনি।

স্বাধীনতার পর ফকির আলমগীর পপ ঘরানার গানে যুক্ত হন। পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে বাংলার লোকজ সুরের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি বহু গান করেছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৯ সালে সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..