1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
 করোনা আপডেট :   করোনায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩২২

চকবাজারস্থ বড় মিয়া মসজিদের পুকুর পার ভরাট ও যবরদখল তথ্যটি মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য মুলক সেটাই প্রণোদিত

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ৬৭ বার পঠিত

মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহিদ) ( চট্রগ্রাম) : বন্দরনগরী চট্টগ্রাম চকবাজারস্থ বড় মিয়া মসজিদের পুকুরপাড় জবরদখল বিষয়টি বেশ কয়েকদিন মিডিয়া পাড়ায় আলোচনা চলছিল। আজ ২৮ শে মে ২০২১ ইংরেজি সরেজমিন তদন্ত চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থল তদন্তে গিয়ে দেখতে পান পুকুর ভরাট করার তথ্যটি সম্পূর্ণ বানোয়াট মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল।
স্থানীয়ভাবে মুসল্লিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায় তৎকালীন সময়ে গ্রামের আর দশটি পুকুরের মত বড় মিয়া মসজিদ এলাকাটিও একটি বহুল পরিচিত গ্রামীণ এরিয়া ছিল। তৎকালীন সময়ে মরহুম মকবুল আহমদ সওদাগর উক্ত মসজিদ কমিটিতে মতোয়াল্লী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এই মসজিদের পুকুর টির জলে পাড়ে মিলে প্রায় ৩৮ গন্ডা সম্পত্তি উপর অবস্থিত। তারমধ্যে তিন ভাগ সম্পত্তি ছিল মরহুম মকবুল আহমেদ সওদাগরের নিজস্ব। তারমধ্যে পূর্ব দিকের সম্পূর্ণ জলে পাড়ে মকবুল আহমদ সওদাগর ও তাহার পুত্র আলহাজ্ব মোঃ শফির নামে খতিয়ান ভুক্ত হয়। কিছু অংশ তাদের অন্য ওয়ারিশ এডভোকেট জানে আলম গং এর নামে দক্ষিণ-পূর্ব পাড় নিজ খরিদা ও মৌরশী সূত্রে মালিকানা রয়েছে এবং চূড়ান্তভাবে তাদের নাম প্রচারিত রয়েছে বলে তথ্যমতে জানা যায়।
তাদের নিজস্ব সম্পত্তি ভাঙতে ভাঙতে পুকুরের আয়তন প্রকৃত অবস্থা হতে অনেক বৃদ্ধি পায় এবং এও জানা যায় সেখানে অনেকগুলি বৃক্ষরাজি ছিল। পুকুর পাড় ভাঙতে ভাঙতে পুকুরের আয়তন বৃদ্ধি পায়।
এছাড়াও বড় মিয়া মসজিদের ভালো-মন্দ দেখভাল বিষয়ে আলহাজ্ব মোঃ শফি সেখানকার সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বে আছেন।
সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা যিনি নিজের অর্থ দিয়ে মানুষের কল্যাণ করেন তার বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য না জেনে তাদের মিডিয়ার মাধ্যমে এমন তথ্যের অপপ্রচার করা কতটা যৌক্তিক?
স্থানীয় মুসল্লীরা বলেন তারা তাদের নিজস্ব সম্পত্তির উপরে দোকান নির্মাণ করতে গিয়ে যদি ভরাট করে ফেলতেন তবে সেটা তাদের নিজস্ব সম্পত্তি ছিল। এতে কারো প্রতিবাদ করা অন্যের সম্পদ হরণ করার শামিল বলে গণ্য হবে।
কারণ যে জায়গাটায় আপনারা এখন পানি দেখছেন সেটি সত্যিকার অর্থে তাদের ভরাট করা পুকুরের পাড়ছিল।
এটা শুধুমাত্র তিনি তার নিজস্ব ও পৈত্রিক সূত্র প্রাপ্ত সম্পদ এর উপরই দোকান গৃহ নির্মাণ করেছেন। তিনি মানবিক কারণে তার সম্পদের অংশবিশেষ পুকুরের জলে পাড় ভেঙ্গে চলে যাওয়ার পরেও সেটি ভরাট না করে সেখান থেকে খুটির উপর ভাসমান দোকান নির্মাণ করে পরিবেশের ভারসাম্য সঠিক রেখেছেন বলে আমরা মনে করি। যা আপনারাও দেখতে পাচ্ছেন কি অবস্থায় তিনি দোকান গৃহ নির্মাণ করেছেন।
তিনি তার সম্পত্তি যদি ভরাট করেও করতেন এ ব্যাপারে তাকে বাধা দেওয়াটা আইনত পরিপন্থী হত ‌। কারণ জলে পড়ে পুকুরের অবস্থান ও আয়তন দলিল-দস্তাবেজ এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে আয়তন বৃদ্ধি করলে যে আয়তন বড় হয়ে যাবে তা কিন্তু কেবলমাত্র স্বপ্ন। স্থানীয়রা আরো বলেন বর্তমান যে অবস্থায় আছে তাতে কোন ধরনের ক্ষতি হচ্ছে না। এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির পক্ষ হতে বাধা না আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন জায়গাটিতো মসজিদের নয় সবাই অবগত আছেন, বাধাটা কোন যুক্তি দিয়ে দিবে। এ পর্যন্ত যে কয়েকটি মিডিয়া জনাব শফীর বিরুদ্ধে এলোমেলো তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করেছেন তা সত্যিকার অর্থে বিবেচনা করতে গেলে তারা মসজিদ কমিটির কোনো বক্তব্য গ্রহণ করেননি। আমরা এইসব বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। আশা রাখি ভবিষ্যতে এমন তথ্য প্রচারে আরো অনেক বেশি সাংবাদিকদের সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরী।
আলহাজ্ব মোঃ শফি এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।তিনি আরো বলেন আইনের দ্বারস্থ হলে থলের বিড়াল নিশ্চয় বেরিয়ে আসবে। আমার এই বেষ্টনীর কারণে অনেক মাদক কার্বারির লেনাদেনা ও মাদক বেচাকেনায় বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়াও আমি অনেক মাদক বিক্রেতাকে এখান থেকে আইনের আওতায় সোপর্দ করেছে। এসব লোক জন মিলে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিমূলক এসব তথ্য প্রচার করছে।
আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট মহল কে এই ধরনের স্পর্শকাতর’ বিষয়গুলো নিয়ে আরো দায়িত্বশীল পরিচয় দিয়ে সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..