ডেস্ক রিপোর্ট :: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনী গণহত্যা চালিয়েছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) প্রথম দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার করা এই মামলায় ধারণা করা হচ্ছে তেল আবিবের বিরুদ্ধে ‘জরুরি অস্থায়ী ব্যবস্থা’ নেয়া হবে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদক হামদাহ সালহুত এমনটি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল যদি গণহত্যা অথবা গণহত্যা চেষ্টায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে তেলআবিবের অবস্থান পুরোপুরি পাল্টে দেবে। গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসসহ বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীকে একাই যুদ্ধ সামাল দিতে হবে।
ইসরায়েল তখন কূটনৈতিকভাবে বিশ্ব থেকে ছিটকে পড়বে। এমনটি যুক্তরাষ্ট্রের মতো ঘনিষ্ট মিত্ররাও তাকে আর প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে পারবে না। এমনটি করতে গেলে গণহত্যায় মদদদাতা হিসেবে ফেঁসে যেতে পারে ওয়াশিংটনও।সেইসঙ্গে চলমান গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে অন্যায্যতা আর বর্বরোচিত আচরণের জন্যে বিচারের কাঠগড়ায় পর্যন্ত দাঁড়াতে হতে পারে।
আজকের প্রাথমিক শুনানিতে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রমাণাদি উপস্থাপন করবে এবং পরদিন শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে।
এমন গুরুত্বপূর্ণ শুনানির আগের দিনও থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা। গত তিন মাসের বর্বরোচিত ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার সীমান্তবর্তী রাফাহতে স্থানীয় সময় বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ইসরায়েলি হামলায় চার শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় বোমাবর্ষণ ও স্থল অভিযান জোরদার করার অংশ হিসেবে সর্বশেষ এই হামলার ঘটনা ঘটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় অন্তত ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















