10:26 am, Thursday, 14 May 2026

আখাইলকুড়া ইউনিয়নে নির্বাচনে হেরে ভাগিনার নিকট ক্ষতি পূরন দাবী

স্টফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার ৫ নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ভাগিনাকে দায়ী করে ক্ষতি পুরন দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কামরুল ইসলাম নাইওর মনোনয় ফরম ক্রয় করে মো: আলাল মিয়া সমর্থনকারী হিসাবে ফরম দাখিল করেন। তার আপন মামা মো: জুয়েল আহমদ ওই ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থীর জন্য মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ভয় ভীতি দেখিয়ে সমর্থনকারী মো: আলাল মিয়াকে তার সমর্থনকারী করতে বাধ্য করেন এবং কামরুল ইসলাম নাইওর এর সমর্থনকারী থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন। ফলে বিপাকে পড়েন কামরুল ইসলাম নাইওর। তার প্রার্থীতা বাতিল হওয়ার উপক্রম হয়। অনেক জটিল পরিস্থিতিতে কামরুল ইসলাম নাইওর তানবির মিয়া নামক এক ব্যক্তিকে ২য় বার সমর্থনকারী করে তার মনোনয়ন রক্ষা করেন। তখন মামা মো: জুয়েল আহমদ ভাগিনার পিতা আব্দুল করিম কে সহযোগী করে পিতাকে পুত্রের বিরুদ্ধে প্রচারনা করান। হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন। নির্বাচনে মো: জুয়েল আহমদ প্রতিদন্ধী প্রার্থী রাহাত উল্লা(দলার) সাতে ১১০ ভোটে পরাজিত হন। পরাজিত হয়ে ভগিনাকে দায়ী করে তার নির্বাচনের ক্ষতি পূরন দাবী করছেন। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে কামরুল ইসলাম নাইওর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে প্রতিদন্ধী প্রার্থী নিকট মাত্র ১৭ ভোটে হেরেছিলেন। কামরুল ইসলাম নাইওর এর দাবী তার মামা নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতির খরচ হিসাবে তাকে ক্ষতি পূরন দেওয়ার কথা। কিন্তু উল্টো তাকে ক্ষতি পূরন চাওয়া হচ্ছে ও ভয় ভীতি হুমকি দিচ্ছেন। তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

‘হাইল হাওরে’ মাহমুদ নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আখাইলকুড়া ইউনিয়নে নির্বাচনে হেরে ভাগিনার নিকট ক্ষতি পূরন দাবী

Update Time : 02:29:34 pm, Wednesday, 23 February 2022

স্টফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার ৫ নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ভাগিনাকে দায়ী করে ক্ষতি পুরন দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কামরুল ইসলাম নাইওর মনোনয় ফরম ক্রয় করে মো: আলাল মিয়া সমর্থনকারী হিসাবে ফরম দাখিল করেন। তার আপন মামা মো: জুয়েল আহমদ ওই ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থীর জন্য মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ভয় ভীতি দেখিয়ে সমর্থনকারী মো: আলাল মিয়াকে তার সমর্থনকারী করতে বাধ্য করেন এবং কামরুল ইসলাম নাইওর এর সমর্থনকারী থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন। ফলে বিপাকে পড়েন কামরুল ইসলাম নাইওর। তার প্রার্থীতা বাতিল হওয়ার উপক্রম হয়। অনেক জটিল পরিস্থিতিতে কামরুল ইসলাম নাইওর তানবির মিয়া নামক এক ব্যক্তিকে ২য় বার সমর্থনকারী করে তার মনোনয়ন রক্ষা করেন। তখন মামা মো: জুয়েল আহমদ ভাগিনার পিতা আব্দুল করিম কে সহযোগী করে পিতাকে পুত্রের বিরুদ্ধে প্রচারনা করান। হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন। নির্বাচনে মো: জুয়েল আহমদ প্রতিদন্ধী প্রার্থী রাহাত উল্লা(দলার) সাতে ১১০ ভোটে পরাজিত হন। পরাজিত হয়ে ভগিনাকে দায়ী করে তার নির্বাচনের ক্ষতি পূরন দাবী করছেন। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে কামরুল ইসলাম নাইওর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে প্রতিদন্ধী প্রার্থী নিকট মাত্র ১৭ ভোটে হেরেছিলেন। কামরুল ইসলাম নাইওর এর দাবী তার মামা নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতির খরচ হিসাবে তাকে ক্ষতি পূরন দেওয়ার কথা। কিন্তু উল্টো তাকে ক্ষতি পূরন চাওয়া হচ্ছে ও ভয় ভীতি হুমকি দিচ্ছেন। তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।