11:41 pm, Monday, 8 June 2026

আসামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ, ৩ জনের মৃত্যু

 

ডেস্ক রিপোর্ট:ভারতের আসাম রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। কিছু কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। তবে আজও পানিবন্দি রয়েছে ৯ জেলার চার লক্ষাধিক মানুষ।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটির (এএসডিএমএ) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাজ্যের বিভিন্ন অংশে এবারের বন্যায় এখন পর্যন্ত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন।

এএসডিএমএর তথ্যমতে, বাকসা, বরপেটা, দারং, ধুবড়ি, গোলপাড়া, কামরুপ, লখিমপুর, নলবাড়ি এবং উদালগুড়ি জেলার ৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসব জেলায় ১০১টি ত্রাণ শিবির পরিচালনা করছে প্রশাসন, যেখানে ৮১ হাজার ৩৫২ জন বন্যার্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া পাঁচটি জেলায় ১১৯টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু করেছে কর্তৃপক্ষ।

এএসডিএমএ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিছু এলাকায় পানির স্তর নিচে নামতে শুরু করেছে। তবে এখনো আসামজুড়ে ১ হাজার ১১৮টি গ্রাম পানির নিচে এবং এতে ৮ হাজার ৪৬৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বাকসা, বরপেটা, সোনিতপুর, ধুবড়ি, কামরূপ, কোকরাঝাড়, নলবাড়ি, সাউথ সালমারা ও উদালগুড়ি জেলায়। করিমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো বন্যার স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দারাং জেলায় অনেক শহরাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার রবিরবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে ময়লার ভাগাড়- বাড়ছে স্বাস্থ্যেরঝুঁকি

আসামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ, ৩ জনের মৃত্যু

Update Time : 08:09:31 am, Sunday, 25 June 2023

 

ডেস্ক রিপোর্ট:ভারতের আসাম রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। কিছু কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। তবে আজও পানিবন্দি রয়েছে ৯ জেলার চার লক্ষাধিক মানুষ।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটির (এএসডিএমএ) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাজ্যের বিভিন্ন অংশে এবারের বন্যায় এখন পর্যন্ত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন।

এএসডিএমএর তথ্যমতে, বাকসা, বরপেটা, দারং, ধুবড়ি, গোলপাড়া, কামরুপ, লখিমপুর, নলবাড়ি এবং উদালগুড়ি জেলার ৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসব জেলায় ১০১টি ত্রাণ শিবির পরিচালনা করছে প্রশাসন, যেখানে ৮১ হাজার ৩৫২ জন বন্যার্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া পাঁচটি জেলায় ১১৯টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু করেছে কর্তৃপক্ষ।

এএসডিএমএ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিছু এলাকায় পানির স্তর নিচে নামতে শুরু করেছে। তবে এখনো আসামজুড়ে ১ হাজার ১১৮টি গ্রাম পানির নিচে এবং এতে ৮ হাজার ৪৬৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বাকসা, বরপেটা, সোনিতপুর, ধুবড়ি, কামরূপ, কোকরাঝাড়, নলবাড়ি, সাউথ সালমারা ও উদালগুড়ি জেলায়। করিমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো বন্যার স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দারাং জেলায় অনেক শহরাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।