8:56 am, Thursday, 5 November 2026

ইউক্রেনের ওডেসায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর ওডেসাতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১ জুলাই) ভোরের দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কৃষ্ণ সাগরের কৌশলগত ফাঁড়ি স্ন্যাক আইল্যান্ড থেকে রুশ সেনাদের প্রত্যাহার করার একদিন পরই এ হামলা চালানো হলো। যদিও ইউক্রেনের দাবি, তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন ধসে যায়। এতে নিহত হন ১৪ জন এবং আরও ৩০ জনের মতো মানুষ আহত হয়েছেন।

এদিকে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম দিকে কৃষ্ণসাগরের বুকে স্নেক আইল্যান্ড নামে যে ক্ষুদ্র দ্বীপটি দখল করে নিয়েছিল রাশিয়া সেটি থেকে সেনাদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

মস্কো বলেছে, স্নেক আইল্যান্ড থেকে তাদের এই প্রত্যাহার হচ্ছে একটা ‘শুভেচ্ছাসূচক পদক্ষেপ’ এবং এর মাধ্যমে তারা দেখাতে চাইছে যে ইউক্রেন থেকে কৃষিপণ্য পরিবহনের পথে রাশিয়া কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শিক্ষা অফিসে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ

ইউক্রেনের ওডেসায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪

Update Time : 07:07:12 am, Friday, 1 July 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর ওডেসাতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১ জুলাই) ভোরের দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কৃষ্ণ সাগরের কৌশলগত ফাঁড়ি স্ন্যাক আইল্যান্ড থেকে রুশ সেনাদের প্রত্যাহার করার একদিন পরই এ হামলা চালানো হলো। যদিও ইউক্রেনের দাবি, তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন ধসে যায়। এতে নিহত হন ১৪ জন এবং আরও ৩০ জনের মতো মানুষ আহত হয়েছেন।

এদিকে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম দিকে কৃষ্ণসাগরের বুকে স্নেক আইল্যান্ড নামে যে ক্ষুদ্র দ্বীপটি দখল করে নিয়েছিল রাশিয়া সেটি থেকে সেনাদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

মস্কো বলেছে, স্নেক আইল্যান্ড থেকে তাদের এই প্রত্যাহার হচ্ছে একটা ‘শুভেচ্ছাসূচক পদক্ষেপ’ এবং এর মাধ্যমে তারা দেখাতে চাইছে যে ইউক্রেন থেকে কৃষিপণ্য পরিবহনের পথে রাশিয়া কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না।