5:12 pm, Friday, 14 August 2026

ইউক্রেনের ‘লবনখনির’ শহর সোলেডার দখলের দাবি রাশিয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট : ইউক্রেনের লবনখনি হিসেবে পরিচিত সোলেডার শহরের অধিকাংশ দখলের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। একে গেল কয়েক মাসের মধ্যে মস্কোর বড় জয় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
১০ হাজার লোকবসতির সোলেডার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা বাখমুট থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটির নিয়ন্ত্রণ রুশ বাহিনীর হাতে গেলে বাখমুট দখলের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে মস্কো। অঞ্চলটিতে রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়ছে ওয়াগনার গোষ্ঠীর সশস্ত্র সেনারা।
সোলেডার রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও। তবে ইউক্রেনের দাবি, তাদের সেনারা এখনো সেখানে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেন, শহরটিতে এখন আর কোন প্রাণ নেই। গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অধিকাংশ অবকাঠামো।

এদিকে, আকস্মিক সফরে মঙ্গলবার খারকিভ যান জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক। রুশ আক্রমণের নিন্দা জানিয়ে অঙ্গীকার করেন কিয়েভের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার। তার খারকিভ ত্যাগের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই রুশ গোলাবর্ষণ ফের শুরু হয়। সূত্র: আল জাজিরা

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৃত্যুর পর দেহের অঙ্গ দানের অঙ্গীকার—মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তিতে ‘বৃক্ষকন্যা’ সাদিয়া আক্তারকে সম্মাননা

ইউক্রেনের ‘লবনখনির’ শহর সোলেডার দখলের দাবি রাশিয়ার

Update Time : 06:55:19 am, Wednesday, 11 January 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : ইউক্রেনের লবনখনি হিসেবে পরিচিত সোলেডার শহরের অধিকাংশ দখলের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। একে গেল কয়েক মাসের মধ্যে মস্কোর বড় জয় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
১০ হাজার লোকবসতির সোলেডার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা বাখমুট থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটির নিয়ন্ত্রণ রুশ বাহিনীর হাতে গেলে বাখমুট দখলের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে মস্কো। অঞ্চলটিতে রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়ছে ওয়াগনার গোষ্ঠীর সশস্ত্র সেনারা।
সোলেডার রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও। তবে ইউক্রেনের দাবি, তাদের সেনারা এখনো সেখানে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেন, শহরটিতে এখন আর কোন প্রাণ নেই। গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অধিকাংশ অবকাঠামো।

এদিকে, আকস্মিক সফরে মঙ্গলবার খারকিভ যান জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক। রুশ আক্রমণের নিন্দা জানিয়ে অঙ্গীকার করেন কিয়েভের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার। তার খারকিভ ত্যাগের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই রুশ গোলাবর্ষণ ফের শুরু হয়। সূত্র: আল জাজিরা