6:44 am, Wednesday, 22 April 2026

একদিনের ব্যবধানে দেশে করোনা শনাক্ত দ্বিগুণ

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১৮ দিন দেশে কোনো করোনা রোগী মারা যাননি। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ফলে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জনেই রয়েছে।

একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৩ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৯ জনে।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয় ১০ জন।

রোববার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৫৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ২৩ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর দেওয়া হয়।

তাতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। আগের দিন এই হার শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ ছিল।

করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে একটানা ১৮ দিন কখনোই মৃত্যুহীন ছিল না।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২৬৩ জন। তাদের নিয়ে ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫২৬ সুস্থ্য হয়ে উঠলেন।

এই হিসাবে দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ১৪৬ জন। অর্থাৎ তারা কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর এখনও সুস্থ হননি।

নতুন রোগীদের মধ্যে ১৯ জন ঢাকার, একজন টাঙ্গাইলের, একজন রংপুরের, একজন কুড়িগ্রামের, একজন কুষ্টিয়ার এবং একজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।

মহামারীর মধ্যে সার্বিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ২০২০ সালের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০২১ সালের ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৬২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৭১ লাখের বেশি।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

একদিনের ব্যবধানে দেশে করোনা শনাক্ত দ্বিগুণ

Update Time : 11:01:46 am, Sunday, 8 May 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১৮ দিন দেশে কোনো করোনা রোগী মারা যাননি। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ফলে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জনেই রয়েছে।

একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৩ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৯ জনে।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয় ১০ জন।

রোববার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৫৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ২৩ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর দেওয়া হয়।

তাতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। আগের দিন এই হার শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ ছিল।

করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে একটানা ১৮ দিন কখনোই মৃত্যুহীন ছিল না।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২৬৩ জন। তাদের নিয়ে ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫২৬ সুস্থ্য হয়ে উঠলেন।

এই হিসাবে দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ১৪৬ জন। অর্থাৎ তারা কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর এখনও সুস্থ হননি।

নতুন রোগীদের মধ্যে ১৯ জন ঢাকার, একজন টাঙ্গাইলের, একজন রংপুরের, একজন কুড়িগ্রামের, একজন কুষ্টিয়ার এবং একজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।

মহামারীর মধ্যে সার্বিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ২০২০ সালের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০২১ সালের ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৬২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৭১ লাখের বেশি।