1:28 pm, Sunday, 16 August 2026

এলএনজির দর আরও কমলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এশিয়ার স্পট মার্কেটে চলতি সপ্তাহে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম আরও কমেছে। ২০২১ সালের জুলাইয়ের পর যা সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় এই নিম্নমুখিতা তৈরি হয়েছে। আগামী মার্চের শেষ পর্যন্ত তা স্থায়ী হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় আগামী এপ্রিলের এলএনজির গড় সরবরাহ মূল্য আরও নিম্নমুখী হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের (এমএমবিটিইউ) দর স্থির হয়েছে ১৪ ডলার ৫০ সেন্টে। গত সপ্তাহ থেকে যা শূন্য দশমিক ৫০ ডলার বা ২ দশমিক ৩ শতাংশ কম। বৈশ্বিক শিল্প কারখানা সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সবমিলিয়ে চলতি বছরের শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এলএনজির ব্যাপক দরপতন ঘটেছে। সেই হারের পরিমাণ ৪৮ শতাংশেরও বেশি। কারণ, জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা ব্যাপক দুর্বল রয়েছে।
গত আগস্টে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ওঠে ৭০ ডলার ৫০ সেন্টে। ইতিহাসে যা ছিল সর্বোচ্চ। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সেই গ্যাসের মূল্য হ্রাস পেয়েছে ৭৯ শতাংশ।
ট্রিডেন্ট এলএনজির বৈশ্বিক ব্যবসার প্রধান টবি কপসন বলেন, স্পট মার্কেটে গ্যাসের দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে যা কিনতে উৎসাহিত করেছে।
তিনি বলেন, বাজারজুড়ে দুর্বলতা স্পষ্ট। সেটা দীর্ঘমেয়াদি বলে মনে হচ্ছে। ফলে দরপত্র আহ্বানের পরিমাণ বাড়ছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মণিপুরী নৃত্যের পাশাপাশি লোকনৃত্য ও সৃজনশীল নৃত্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন শ্রীমঙ্গলের কেয়া সিনহা 

এলএনজির দর আরও কমলো

Update Time : 06:08:50 am, Saturday, 4 March 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এশিয়ার স্পট মার্কেটে চলতি সপ্তাহে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম আরও কমেছে। ২০২১ সালের জুলাইয়ের পর যা সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় এই নিম্নমুখিতা তৈরি হয়েছে। আগামী মার্চের শেষ পর্যন্ত তা স্থায়ী হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় আগামী এপ্রিলের এলএনজির গড় সরবরাহ মূল্য আরও নিম্নমুখী হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের (এমএমবিটিইউ) দর স্থির হয়েছে ১৪ ডলার ৫০ সেন্টে। গত সপ্তাহ থেকে যা শূন্য দশমিক ৫০ ডলার বা ২ দশমিক ৩ শতাংশ কম। বৈশ্বিক শিল্প কারখানা সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সবমিলিয়ে চলতি বছরের শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এলএনজির ব্যাপক দরপতন ঘটেছে। সেই হারের পরিমাণ ৪৮ শতাংশেরও বেশি। কারণ, জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা ব্যাপক দুর্বল রয়েছে।
গত আগস্টে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ওঠে ৭০ ডলার ৫০ সেন্টে। ইতিহাসে যা ছিল সর্বোচ্চ। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সেই গ্যাসের মূল্য হ্রাস পেয়েছে ৭৯ শতাংশ।
ট্রিডেন্ট এলএনজির বৈশ্বিক ব্যবসার প্রধান টবি কপসন বলেন, স্পট মার্কেটে গ্যাসের দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে যা কিনতে উৎসাহিত করেছে।
তিনি বলেন, বাজারজুড়ে দুর্বলতা স্পষ্ট। সেটা দীর্ঘমেয়াদি বলে মনে হচ্ছে। ফলে দরপত্র আহ্বানের পরিমাণ বাড়ছে।