4:27 am, Saturday, 2 May 2026

মৌলভীবাজারে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ

ষ্টাফ রিপোর্টার: গত ০৫ই আগষ্ট ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পরপর মৌলভীবাজারে শুরু হয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুট পাট। মৌলভীবাজারের স্থানীয় উৎসুক ছাত্র জনতা, বিএনপি, জামায়াত নেতা কর্মীরা আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি নেছার আহমদের বাড়ি ভাংচুর ও মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনায় তাহার জুই ফার্মেসি ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আজমল হোসেন এর বাড়ি ভাংচুর করে, তাহার পুত্র জেলা যুবলীগ নেতা মোঃ ইরফান হোসেন এর গাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কোকোমেলন ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিআইপি আব্দুর রহিমের বাসা ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিসবাউর রহমান এর বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান এর বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের বাসায় অগ্নিসংযোগ করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চিত্রলেখায় অগ্নিসংযোগ ও তাহার বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শেখ রুমেল আহমদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা মোটর সাইকেল শোরুম ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমেস দাস যীশুর ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজার স্টল অগ্নিসংযোগ। মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল হোসেন চৌধুরীর বাসা ভাংচুর করে। এছাড়া মৌলভীবাজার মডেল থানা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, বঙ্গবন্ধুর ভাষকার্য্য ভাংচুর সহ অনেক নেতাকর্মীদের বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নীসংযোগ করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

আবারো আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধি রাশমিকা!

মৌলভীবাজারে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ

Update Time : 02:24:35 pm, Tuesday, 6 August 2024

ষ্টাফ রিপোর্টার: গত ০৫ই আগষ্ট ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পরপর মৌলভীবাজারে শুরু হয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুট পাট। মৌলভীবাজারের স্থানীয় উৎসুক ছাত্র জনতা, বিএনপি, জামায়াত নেতা কর্মীরা আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি নেছার আহমদের বাড়ি ভাংচুর ও মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনায় তাহার জুই ফার্মেসি ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আজমল হোসেন এর বাড়ি ভাংচুর করে, তাহার পুত্র জেলা যুবলীগ নেতা মোঃ ইরফান হোসেন এর গাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কোকোমেলন ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিআইপি আব্দুর রহিমের বাসা ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিসবাউর রহমান এর বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান এর বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের বাসায় অগ্নিসংযোগ করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চিত্রলেখায় অগ্নিসংযোগ ও তাহার বাসা ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শেখ রুমেল আহমদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা মোটর সাইকেল শোরুম ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমেস দাস যীশুর ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজার স্টল অগ্নিসংযোগ। মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল হোসেন চৌধুরীর বাসা ভাংচুর করে। এছাড়া মৌলভীবাজার মডেল থানা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, বঙ্গবন্ধুর ভাষকার্য্য ভাংচুর সহ অনেক নেতাকর্মীদের বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নীসংযোগ করা হয়েছে।