4:59 am, Saturday, 2 May 2026

এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের : শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট::প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের বিজয়।’ গতকাল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) গণভবনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। এই নির্বাচন যুগান্তকারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য এই নির্বাচন যুগান্তরকারী ঘটনা। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার স্মাট বাংলাদেশ গড়ে তোলায় লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি মানুষও হতদরিদ্র থাকবে না।’ সবার জন্য কর্মসংস্থানের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। মানুষের মৌলিক অধিকার আরও নিশ্চিত করা হবে  শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিবার সরকার গঠনের পর তিনটি ধাপে কর্মপরিকল্পনা করা হয়। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সবসময় সহযোগিতা পাচ্ছি।পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমাদের নীতি সবার সঙ্গে বন্ধত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। শেখ হাসিনা বলেন, ৮ বার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না। মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। এবারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন করার পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এ বিজয় জনগণের বিজয়। তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না। বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

আবারো আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধি রাশমিকা!

এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের : শেখ হাসিনা

Update Time : 10:37:32 am, Monday, 8 January 2024

ডেস্ক রিপোর্ট::প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের বিজয়।’ গতকাল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) গণভবনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। এই নির্বাচন যুগান্তকারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য এই নির্বাচন যুগান্তরকারী ঘটনা। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার স্মাট বাংলাদেশ গড়ে তোলায় লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি মানুষও হতদরিদ্র থাকবে না।’ সবার জন্য কর্মসংস্থানের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। মানুষের মৌলিক অধিকার আরও নিশ্চিত করা হবে  শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিবার সরকার গঠনের পর তিনটি ধাপে কর্মপরিকল্পনা করা হয়। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সবসময় সহযোগিতা পাচ্ছি।পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমাদের নীতি সবার সঙ্গে বন্ধত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। শেখ হাসিনা বলেন, ৮ বার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না। মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। এবারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন করার পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এ বিজয় জনগণের বিজয়। তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না। বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।