জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম এক বিবৃতিতে আগামীকাল সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান জানান। বিবৃতিতে জানানো হয়, নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে।
তবে হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাড়ি এবং ওষুধের দোকান হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। এটিএম মাছুম বলেন, শাপলা চত্বরে জামায়াতের ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ বানচাল করার উদ্দেশ্যে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। অথচ মিটিং-মিছিল করা যে কোনো রাজনৈতিক দলের সংবিধান স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাস, লঞ্চ ও ট্রেন থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি, অগণতান্ত্রিক ও অনভিপ্রেত। আমি সরকারের এ অন্যায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।বিবৃতিতে সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি জানান জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল। হরতালের বিষয়টি নিশ্চিত করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে সরকার পতনসহ যে যুগপৎ আন্দোলন চলছে আগামীকালের হরতাল তারই অংশ। আমরা মাঠে থাকব।’
মান্না আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা রাস্তায় রাস্তায় লাঠি নিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা পুলিশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা চালিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
এদিকে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘এই সরকার পুলিশ দিয়ে বিএনপির সমাবেশে হামলা করিয়েছে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের সহায়তা না করে তার উল্টো ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে বিএনপির ওপর হামলা করতে সহায়তা করেছে।’
ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের তাণ্ডব আইয়ুব-মোনায়েম সরকারকেও হার মানিয়েছে। তারা বিএনপিসহ সব বিরোধী দলের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। তাদের এই হামলার প্রতিবাদে আমরা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছি।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























