10:49 am, Thursday, 25 June 2026

জামিনে মুক্তি পেলেন কুলাউড়ার কাদিপুর ইউপি সদস্য খসরু

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: মারামারি ও শ্লীলতাহানি মামলায় এগারো দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন কাদিপুর ইউপি মেম্বার বিএনপির নেতা খাইরুল ইসলাম খসরু। ৪ মে রবিবার দুপুরে মৌলভীবাজার জজ আদালতে জামিন চাইলে বিচারক তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। মেম্বারের ছোট ভাই দুবাই প্রবাসী নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, খাইরুল ইসলাম খসরু সম্প্রতি সরকারিভাবে কাদিপুর ইউনিয়নের আমতৈল থেকে বিলেরপার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজের জন্য মাটি ভরাট কাজ শুরু করেন। উক্ত সড়কের পাশে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল বারী মিয়ার কিছু জায়গা রয়েছে। সেই জায়গায় রাস্তা প্রসস্থ করার জন্য মাটি ফেললে ১৫ এপ্রিল তীরবর্তী বাড়ীর কাতার প্রবাসী আওয়ামিলীগ নেতা রুবেজ আহমেদ রুবেলের দ্বিতীয় স্ত্রী দোলা খানম মাটি ভরাটের কাজে ইউপি সদস্য খসরু মিয়াকে বাঁধা দেন। খসরু মিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিককে বিষয়টি অবহিত করলে চেয়ারম্যান নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় দোলা খানম অশ্লীল ভাষায় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য খসরুকে গালিগালাজ শুরু করেন। ইউপি সদস্য খসরু তার প্রতিবাদ জানালে দোলা খানম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে ইউপি সদস্য খসরু মিয়ার মাথায় আঘাত করেন। এতে খসরু মিয়ার মাথা ফেটে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে কুলাউড়া হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। দোলা খানম ইউপি সদস্য খসরু মিয়াকে আঘাত ও লাঞ্ছিত করেও ক্ষান্ত হয়নি গত ২২ এপ্রিল মেম্বারের স্ত্রী রাছনা বেগম এবং বড় ভাই আনোয়ারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মেম্বার পরদিন মৌলভীবাজার আদালতে জামিন আনতে গেলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে ৭৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও উপবৃত্তি

জামিনে মুক্তি পেলেন কুলাউড়ার কাদিপুর ইউপি সদস্য খসরু

Update Time : 11:26:37 am, Sunday, 4 May 2025

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: মারামারি ও শ্লীলতাহানি মামলায় এগারো দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন কাদিপুর ইউপি মেম্বার বিএনপির নেতা খাইরুল ইসলাম খসরু। ৪ মে রবিবার দুপুরে মৌলভীবাজার জজ আদালতে জামিন চাইলে বিচারক তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। মেম্বারের ছোট ভাই দুবাই প্রবাসী নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, খাইরুল ইসলাম খসরু সম্প্রতি সরকারিভাবে কাদিপুর ইউনিয়নের আমতৈল থেকে বিলেরপার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজের জন্য মাটি ভরাট কাজ শুরু করেন। উক্ত সড়কের পাশে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল বারী মিয়ার কিছু জায়গা রয়েছে। সেই জায়গায় রাস্তা প্রসস্থ করার জন্য মাটি ফেললে ১৫ এপ্রিল তীরবর্তী বাড়ীর কাতার প্রবাসী আওয়ামিলীগ নেতা রুবেজ আহমেদ রুবেলের দ্বিতীয় স্ত্রী দোলা খানম মাটি ভরাটের কাজে ইউপি সদস্য খসরু মিয়াকে বাঁধা দেন। খসরু মিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিককে বিষয়টি অবহিত করলে চেয়ারম্যান নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় দোলা খানম অশ্লীল ভাষায় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য খসরুকে গালিগালাজ শুরু করেন। ইউপি সদস্য খসরু তার প্রতিবাদ জানালে দোলা খানম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে ইউপি সদস্য খসরু মিয়ার মাথায় আঘাত করেন। এতে খসরু মিয়ার মাথা ফেটে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে কুলাউড়া হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। দোলা খানম ইউপি সদস্য খসরু মিয়াকে আঘাত ও লাঞ্ছিত করেও ক্ষান্ত হয়নি গত ২২ এপ্রিল মেম্বারের স্ত্রী রাছনা বেগম এবং বড় ভাই আনোয়ারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মেম্বার পরদিন মৌলভীবাজার আদালতে জামিন আনতে গেলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।