7:26 am, Tuesday, 4 August 2026

জুড়ীর কন্টিনালা নদীতে পলো বাওয়া উৎসব

জুড়ী প্রতিনিধি :হেমন্ত কাল মাছ ধরার মওসুম। পেশাদার মাছ শিকারীরা বার মাস মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকেন। তবে, সৌখিন মৎস্য শিকারীদের মাছ ধরার মোক্ষম সময় হেমন্ত ও শীতকাল। বর্ষি, জাল ছাড়াও মাছ ধরার অন্যতম উপাদান হচ্ছে পলো। সন্মিলিতভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরা একটি উৎসবও বটে। হেমন্ত কালের অগ্রহায়নের ১২ তারিখ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা অবধি সেরকম একটি উৎসব হয়ে গেল মৌলভীবাজারের জুড়ীতে। উপজেলার কন্টিনালা নদীতে সকাল ১০টায় শুরু হয় পলো বাওয়া। শত শত পেশাধার,সৌখিন ও প্রবাসী মাছ শিকারীরা পলো নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন নদীতে। কন্টিনালা সেতু থেকে শুরু করে রাবারড্যাম পর্যন্ত দীর্ঘ৫কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পলো দিয়ে মাছ ধরার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দুর-দুরান্তের হাজার হাজার আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা নতীর তীরে ভীড় জমান। এ সময় সবার মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দিপনা-উৎসব আমেজ পরিলক্ষিত হয়। উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সাবরিনা আক্তার, জায়ফরনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, গণমাধ্যম কর্মী, ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পলো বাওয়া উৎসব পর্যবেক্ষণ করেন।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

৬ সপ্তাহ ধরে মজুরি বন্ধ, পেটে ভাত নেই, কারখানার গেটে চা-শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

জুড়ীর কন্টিনালা নদীতে পলো বাওয়া উৎসব

Update Time : 11:15:56 am, Wednesday, 27 November 2024

জুড়ী প্রতিনিধি :হেমন্ত কাল মাছ ধরার মওসুম। পেশাদার মাছ শিকারীরা বার মাস মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকেন। তবে, সৌখিন মৎস্য শিকারীদের মাছ ধরার মোক্ষম সময় হেমন্ত ও শীতকাল। বর্ষি, জাল ছাড়াও মাছ ধরার অন্যতম উপাদান হচ্ছে পলো। সন্মিলিতভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরা একটি উৎসবও বটে। হেমন্ত কালের অগ্রহায়নের ১২ তারিখ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা অবধি সেরকম একটি উৎসব হয়ে গেল মৌলভীবাজারের জুড়ীতে। উপজেলার কন্টিনালা নদীতে সকাল ১০টায় শুরু হয় পলো বাওয়া। শত শত পেশাধার,সৌখিন ও প্রবাসী মাছ শিকারীরা পলো নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন নদীতে। কন্টিনালা সেতু থেকে শুরু করে রাবারড্যাম পর্যন্ত দীর্ঘ৫কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পলো দিয়ে মাছ ধরার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দুর-দুরান্তের হাজার হাজার আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা নতীর তীরে ভীড় জমান। এ সময় সবার মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দিপনা-উৎসব আমেজ পরিলক্ষিত হয়। উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সাবরিনা আক্তার, জায়ফরনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, গণমাধ্যম কর্মী, ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পলো বাওয়া উৎসব পর্যবেক্ষণ করেন।