5:56 am, Wednesday, 22 April 2026

ফিলিপাইনে টাইফুন ‘ডোকসুরি’র আঘাত

ডেস্ক রিপোর্ট : জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের হুমকি নিয়ে ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ডোকসুরি। আঘাত হানার সময় সামুদ্রিক ঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার (১৪০ মাইল)।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দিনগত মধ্যরাত ৩টা ১০ মিনিটে ফিলিপাইনের উত্তরে ফুগা দ্বীপে আঘাত হানে সুপার টাইফুনে রূপ নেওয়া ডোকসুরি। তবে আঘাত হানার সময় এটি কিছুটা দুর্বল হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে টাইফুনের প্রভাবে ফিলিপাইনের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ লুজোনের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবন হুমকির মধ্যে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

কোনো কোনো অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে গাছপালা। এতে পাহাড়ি এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও করছে কর্তৃপক্ষ।

কাগায়ান প্রদেশের গভর্নর, স্কুল ও অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে অন্তত এক ডজন উপকূলীয় ও পাহাড়ি শহর থেকে ১২ হাজারের বেশি লোককে সরিয়ে নিয়েছে।

ডোকসুরি, চলতি বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে আঘাত হানা পঞ্চম ঝড়। ১১ কোটি বাসিন্দার দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ২০টি টাইফুন আঘাত হানে।

ফিলিপাইনের আবহাওয়া ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ঝড়টি শুক্রবার নাগাদ তাইওয়ান অতিক্রম করে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে আঘাত হানবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

ফিলিপাইনে টাইফুন ‘ডোকসুরি’র আঘাত

Update Time : 08:23:20 am, Wednesday, 26 July 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের হুমকি নিয়ে ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ডোকসুরি। আঘাত হানার সময় সামুদ্রিক ঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার (১৪০ মাইল)।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দিনগত মধ্যরাত ৩টা ১০ মিনিটে ফিলিপাইনের উত্তরে ফুগা দ্বীপে আঘাত হানে সুপার টাইফুনে রূপ নেওয়া ডোকসুরি। তবে আঘাত হানার সময় এটি কিছুটা দুর্বল হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে টাইফুনের প্রভাবে ফিলিপাইনের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ লুজোনের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবন হুমকির মধ্যে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

কোনো কোনো অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে গাছপালা। এতে পাহাড়ি এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও করছে কর্তৃপক্ষ।

কাগায়ান প্রদেশের গভর্নর, স্কুল ও অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে অন্তত এক ডজন উপকূলীয় ও পাহাড়ি শহর থেকে ১২ হাজারের বেশি লোককে সরিয়ে নিয়েছে।

ডোকসুরি, চলতি বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে আঘাত হানা পঞ্চম ঝড়। ১১ কোটি বাসিন্দার দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ২০টি টাইফুন আঘাত হানে।

ফিলিপাইনের আবহাওয়া ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ঝড়টি শুক্রবার নাগাদ তাইওয়ান অতিক্রম করে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে আঘাত হানবে।