7:21 am, Friday, 6 November 2026

‘বড় ছেলে’ মুক্তির ৯ বছর, দর্শকদের কাছে যে প্রশ্ন অপূর্বর

বিনোদন ডেস্ক :: বাংলা নাটকের ইতিহাসে কিছু গল্প থাকে, যেগুলো সময় পেরিয়ে গেলেও দর্শকের মনে থেকে যায়। চলতি শতাব্দির ‘বড় ছেলে’ তেমনই একটি নাটক।

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরীর অভিনয়ে মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত নাটকটি মুক্তির নয় বছর পূর্ণ করেছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে দর্শকের রুচি, এসেছে নতুন নতুন নাটক; কিন্তু ‘বড় ছেলে’র আবেগে এখনও ভাটা পড়েনি।

২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছিল নাটকটি। মুক্তির পর গল্প, অভিনয় ও আবেগঘন নির্মাণের কারণে দ্রুতই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে ‘বড় ছেলে’।

বিশেষ করে নাটকের শেষ দৃশ্য দর্শকদের কাঁদিয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নাটকটির বিভিন্ন দৃশ্য ও সংলাপ নিয়ে তৈরি হয়েছিল তুমুল আলোচনা।
নাটকটির নয় বছর পূর্তিতে পুরোনো স্মৃতিতে ফিরেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। নিজের ফেসবুক পেজে ‘বড় ছেলে’র শেষ দৃশ্যের দুটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন তিনি। ছবিতে অপূর্ব ও মেহজাবীনকে দেখা যায় আবেগঘন মুহূর্তে।

পোস্টের ক্যাপশনে অপূর্ব লেখেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে রিলিজ পেয়েছিল ‘বড় ছেলে’। দেখতে দেখতে আজ এই টেলিফিল্মের ৯ বছর পূর্ণ হলো।’

এরপরই দর্শকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন অভিনেতা, ‘এই ৯ বছরে নাটকটি কতবার দেখেছেন?’

অপূর্বর সেই প্রশ্নের পর কমেন্টে নিজেদের অভিজ্ঞতা জানাতে শুরু করেন দর্শকরা। কেউ জানিয়েছেন অসংখ্যবার নাটকটি দেখেছেন, আবার কেউ বলেছেন শতাধিকবার দেখার কথা। অনেকেই জানিয়েছেন, ‘বড় ছেলে’ দেখেই বাংলা নাটকের প্রতি তাদের ভালোবাসা তৈরি হয়েছে।

নাটকটির প্রতি দর্শকদের এমন প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যায়, নয় বছর পরও এর আবেদন কতটা শক্তিশালী।

‘বড় ছেলে’র গল্পে উঠে এসেছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় সন্তানের দায়িত্ব, পরিবারের প্রতি তার ত্যাগ, নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দেওয়ার মতো কঠিন বাস্তবতা। অপূর্বর চরিত্রের মধ্য দিয়ে একজন বড় ছেলের দায়িত্ব ও আত্মত্যাগের গল্প দর্শকের সামনে তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান।

অপূর্বর সংযত অভিনয় এবং মেহজাবীনের আবেগঘন উপস্থিতি গল্পটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল। বিশেষ করে শেষ পর্বের আবেগঘন মুহূর্তটি দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে।

নাটকটি টেলিভিশনের পাশাপাশি ইউটিউবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মুক্তির পর দীর্ঘ সময় ধরে নাটকটি অনলাইন দর্শকদের আলোচনায় ছিল। বর্তমানে ইউটিউবে এর দর্শকসংখ্যা ৫৮ মিলিয়নেরও বেশি, যা বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বড় একটি সাফল্য।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

‘বড় ছেলে’ মুক্তির ৯ বছর, দর্শকদের কাছে যে প্রশ্ন অপূর্বর

Update Time : 08:20:48 am, Sunday, 6 September 2026

বিনোদন ডেস্ক :: বাংলা নাটকের ইতিহাসে কিছু গল্প থাকে, যেগুলো সময় পেরিয়ে গেলেও দর্শকের মনে থেকে যায়। চলতি শতাব্দির ‘বড় ছেলে’ তেমনই একটি নাটক।

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরীর অভিনয়ে মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত নাটকটি মুক্তির নয় বছর পূর্ণ করেছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে দর্শকের রুচি, এসেছে নতুন নতুন নাটক; কিন্তু ‘বড় ছেলে’র আবেগে এখনও ভাটা পড়েনি।

২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছিল নাটকটি। মুক্তির পর গল্প, অভিনয় ও আবেগঘন নির্মাণের কারণে দ্রুতই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে ‘বড় ছেলে’।

বিশেষ করে নাটকের শেষ দৃশ্য দর্শকদের কাঁদিয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নাটকটির বিভিন্ন দৃশ্য ও সংলাপ নিয়ে তৈরি হয়েছিল তুমুল আলোচনা।
নাটকটির নয় বছর পূর্তিতে পুরোনো স্মৃতিতে ফিরেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। নিজের ফেসবুক পেজে ‘বড় ছেলে’র শেষ দৃশ্যের দুটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন তিনি। ছবিতে অপূর্ব ও মেহজাবীনকে দেখা যায় আবেগঘন মুহূর্তে।

পোস্টের ক্যাপশনে অপূর্ব লেখেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে রিলিজ পেয়েছিল ‘বড় ছেলে’। দেখতে দেখতে আজ এই টেলিফিল্মের ৯ বছর পূর্ণ হলো।’

এরপরই দর্শকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন অভিনেতা, ‘এই ৯ বছরে নাটকটি কতবার দেখেছেন?’

অপূর্বর সেই প্রশ্নের পর কমেন্টে নিজেদের অভিজ্ঞতা জানাতে শুরু করেন দর্শকরা। কেউ জানিয়েছেন অসংখ্যবার নাটকটি দেখেছেন, আবার কেউ বলেছেন শতাধিকবার দেখার কথা। অনেকেই জানিয়েছেন, ‘বড় ছেলে’ দেখেই বাংলা নাটকের প্রতি তাদের ভালোবাসা তৈরি হয়েছে।

নাটকটির প্রতি দর্শকদের এমন প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যায়, নয় বছর পরও এর আবেদন কতটা শক্তিশালী।

‘বড় ছেলে’র গল্পে উঠে এসেছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় সন্তানের দায়িত্ব, পরিবারের প্রতি তার ত্যাগ, নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দেওয়ার মতো কঠিন বাস্তবতা। অপূর্বর চরিত্রের মধ্য দিয়ে একজন বড় ছেলের দায়িত্ব ও আত্মত্যাগের গল্প দর্শকের সামনে তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান।

অপূর্বর সংযত অভিনয় এবং মেহজাবীনের আবেগঘন উপস্থিতি গল্পটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল। বিশেষ করে শেষ পর্বের আবেগঘন মুহূর্তটি দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে।

নাটকটি টেলিভিশনের পাশাপাশি ইউটিউবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মুক্তির পর দীর্ঘ সময় ধরে নাটকটি অনলাইন দর্শকদের আলোচনায় ছিল। বর্তমানে ইউটিউবে এর দর্শকসংখ্যা ৫৮ মিলিয়নেরও বেশি, যা বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বড় একটি সাফল্য।