ডেস্ক রিপোর্ট : সাত দফা দাবি নিয়ে গতকাল (শনিবার) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সামনে মানবন্ধন করেছেন বর্তমান ফুটবলাররা। বাফুফের সাধরণ সম্পাদকের কাছে সেই দাবি হস্তান্তরও করা হয়েছে।
কিন্তু কোনো সুরাহা না হওয়ায় আজও তারা এসেছিলেন বাফুফে ভবনে; আজ তাদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক ফুটবলারাও।
এবারের লিগে দুই-তিনটি ক্লাব অংশগ্রহণ করবে না বলে গণমাধ্যমে খবর রয়েছে। ফলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন দেশের একশ’র বেশি ফুটবলার। যে কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন অনেক ফুটবলার। তাদের অনেকেই কাল মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। আজ তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়া সাবেকদের মধ্যে ছিলেন- ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক, সাবেক ফুটবলার ও বর্তমানে মোহামেডানের কোচ আলফাজ আহমেদ, সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব ও সাবেক ফুটবলার জাহিদ হোসেন এমিলি।
মানববন্ধন থেকে জানানো হয়, বর্তমান খেলোয়াড়দের অনেকেই জানেন না আদৌ তাদের দল খেলবে কি না, কিংবা কোনো দলে তাদের ঠাই হবে কিনা। ক্ষতির মুখে পড়া খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়ায় পুষ্ঠপোষকদের একপ্রকার মিনতিই করলেন সাবেক ফুটবলার ও কোচ মানিক। খেলোয়াড়দের মানববন্ধনে নিজের অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘একজন সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে আমরা তাদের (বর্তমান খেলোয়াড়) দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। অচিরেই যেন ফুটবল লিগটা হয়, সব দল অংশগ্রহণ করে। এখন তো যে পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, তিন-চারটা দল খেলবে না, এমন অবস্থায় একশর ওপরে খেলোয়াড় আছেন, তারা কী করবে?’
প্রিমিয়ার লিগকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে স্পন্সরদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন মানিক। গুঞ্জন আছে লিগে খেলবে না চট্টগাম আবাহনীও। ক্লাবটির সাবেক স্পন্সরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি উনি রাগের মাথায় বলেছেন যে থাকবেন না। কিন্তু তার উচিত চট্টগ্রাম আবাহনীর হাল ধরা। আর যদি না ধরেন, তবে ভেবে নেবো উনি হয়ত রাজনৈতিক কারণে এসেছিলেন, সে কারণে আবার চলেও গেছেন। ’
খেলোয়াড়দের একটি দাবির মধ্যে আছে বিদেশি খেলোয়াড় ছাড়া লিগ আয়োজন করা। তাতে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন পেশাদারিত্ব নিয়ে। এ প্রসঙ্গে মানিক বলেন, ‘আগেও আমরা বিদেশি খেলোয়াড় ছাড়া খেলেছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে তবে কেন নয়?
এদিকে খেলোয়াড়দের নাকি আশ্বস্ত করেছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তার সঙ্গে বৈঠকের পর রোববার ইতিবাচক কিছুর জন্য অপেক্ষা করছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা, ‘আমরা আট-নয় জন খেলোয়াড় গতকাল সন্ধ্যায় (শনিবার) সালাউদ্দিন ভাইয়ের বাসায় গিয়েছিলাম। উনি আমাদের বিষয়টা নিয়ে খুবই ইতিবাচক। প্রায় সব ক্লাব অফিসিয়ালদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সর্বোচ্চ পর্যাযে অনুরোধ করেছেন তিনি। কয়েকটি ক্লাবও তাকে আশ্বস্ত করেছে বলে আমাদের জানিয়েছেন। উনি বলেছেন যে, এটা এখন ফিফটি ফিফটি, আশা করি একদিনের মধ্যে আমরা ইতিবাচক কিছু তোমাদের শুনাতে পারব। ’

নিজস্ব প্রতিবেদক 




























