12:35 am, Tuesday, 9 June 2026

বড়লেখায় সালিশে প্যানেল চেয়ারম্যানকে হত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার ৩

বড়লেখা প্রতিনিধি :: বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলামের ওপর সালিশ বৈঠকে এক পক্ষ হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। রোববার বিকেলে পাটনা গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি। তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। সন্ত্রাসী হামলায় আহত ইউপি সদস্যের বড়ভাই ফয়জুর রহমান রাতে হামলাকারী ৭ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এদের দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলামের প্রতিবেশি ছায়াদ আহমদ (২৬) তার চাচাতো ভাই বদই মিয়ার স্ত্রীকে মারধর করে। বদই মিয়ার স্ত্রী ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলামের নিকট ঘটনার বিচারপ্রার্থী হন। রোববার বিকেলে ইউপি মেম্বার ঘটনার সমাধান করতে কয়েকজন মুরব্বি নিয়ে আসামীদের বাড়িতে যান। সালিশ বৈঠক চলাকালে হঠাৎ আসামিরা উত্তেজিত হয়ে দা, শাবল ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা চালায়। এতে ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম মুন্না আহত হন। হামলার ঘটনায় আহত ইউপি সদস্যের বড়ভাই ফয়জুর রহমান রোববার রাতে প্রতিপক্ষের ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে- আইয়ুব আলী, ছায়াদ আহমদ ওরফে সাহেদ আহমদ ও মো. আব্দুল্লাহ।

থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, ইউপি সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ ৩জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এদের দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতার অপর আসামি পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার রবিরবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে ময়লার ভাগাড়- বাড়ছে স্বাস্থ্যেরঝুঁকি

বড়লেখায় সালিশে প্যানেল চেয়ারম্যানকে হত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার ৩

Update Time : 12:58:28 pm, Monday, 2 May 2022

বড়লেখা প্রতিনিধি :: বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলামের ওপর সালিশ বৈঠকে এক পক্ষ হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। রোববার বিকেলে পাটনা গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি। তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। সন্ত্রাসী হামলায় আহত ইউপি সদস্যের বড়ভাই ফয়জুর রহমান রাতে হামলাকারী ৭ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এদের দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলামের প্রতিবেশি ছায়াদ আহমদ (২৬) তার চাচাতো ভাই বদই মিয়ার স্ত্রীকে মারধর করে। বদই মিয়ার স্ত্রী ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলামের নিকট ঘটনার বিচারপ্রার্থী হন। রোববার বিকেলে ইউপি মেম্বার ঘটনার সমাধান করতে কয়েকজন মুরব্বি নিয়ে আসামীদের বাড়িতে যান। সালিশ বৈঠক চলাকালে হঠাৎ আসামিরা উত্তেজিত হয়ে দা, শাবল ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা চালায়। এতে ইউপি মেম্বার ফখরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম মুন্না আহত হন। হামলার ঘটনায় আহত ইউপি সদস্যের বড়ভাই ফয়জুর রহমান রোববার রাতে প্রতিপক্ষের ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে- আইয়ুব আলী, ছায়াদ আহমদ ওরফে সাহেদ আহমদ ও মো. আব্দুল্লাহ।

থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, ইউপি সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ ৩জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এদের দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতার অপর আসামি পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন।