5:32 am, Friday, 17 April 2026

আপাতত বন্যার্ত মানুষ বাঁচানোই প্রধান কাজ: ত্রাণ উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট :: অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন, আপাতত বন্যার্ত মানুষ বাঁচানোই আমাদের প্রধান কাজ। তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া, অন্ন জোগানো।
নারী-শিশুসহ সবার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেওয়া। বন্যাদুর্গত এলাকায় এসে মনে করছি এটিই এখানকার প্রধান কাজ।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে জনসম্পৃক্ততা যেটা হয়েছে তার সাথে সমন্বয় করবেন। এ সমন্বয়তা যেন কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল আঙ্গিকের স্বেচ্ছাসেবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আপনাদের মধ্যে যদি মত দ্বৈততা হয় আপনারা আলোচনার টেবিলে বসবেন।

তিনি আরও বলেন, তরুণরা এই বন্যায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের রিসোর্সেরও অভাব নাই। অনেক রকমের প্রতিষ্ঠান আসছে দেশে ও দেশের বাইরে, তারাও কাজ করতে আগ্রহী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত আনোয়ার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) বিজয়া সেন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

আপাতত বন্যার্ত মানুষ বাঁচানোই প্রধান কাজ: ত্রাণ উপদেষ্টা

Update Time : 07:17:43 am, Saturday, 31 August 2024

ডেস্ক রিপোর্ট :: অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন, আপাতত বন্যার্ত মানুষ বাঁচানোই আমাদের প্রধান কাজ। তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া, অন্ন জোগানো।
নারী-শিশুসহ সবার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেওয়া। বন্যাদুর্গত এলাকায় এসে মনে করছি এটিই এখানকার প্রধান কাজ।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে জনসম্পৃক্ততা যেটা হয়েছে তার সাথে সমন্বয় করবেন। এ সমন্বয়তা যেন কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল আঙ্গিকের স্বেচ্ছাসেবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আপনাদের মধ্যে যদি মত দ্বৈততা হয় আপনারা আলোচনার টেবিলে বসবেন।

তিনি আরও বলেন, তরুণরা এই বন্যায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের রিসোর্সেরও অভাব নাই। অনেক রকমের প্রতিষ্ঠান আসছে দেশে ও দেশের বাইরে, তারাও কাজ করতে আগ্রহী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত আনোয়ার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) বিজয়া সেন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।