5:57 am, Wednesday, 22 April 2026

ভারত ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল

ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাটে ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো দেশটির উগ্র হিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্য নাথের সরকার।
র‍্যাপিড রেল ট্রানজিট নেটওয়ার্কের অজুহাতে মিরাট শহরের প্রসিদ্ধ দিল্লি রোডে অবস্থিত ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্য নাথের সরকার। খবর মুসলিম মিররের।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মসজিদটি ভাঙার আগে স্থানীয়দের ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্য নাথের প্রশাসন।
পরবর্তীতে ব্যাপক পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে রাতে মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্মতিতে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য মসজিদটি ভাঙার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু মসজিদের মুতাওয়াল্লি হাজি সালেহিন জানান, এবিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ২০ ফেব্রুয়ারি আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিলো কিন্তু অতি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক হওয়ায় আমরা এতে পুরোপুরি সম্মত ছিলাম না।
উপায়ন্তর না দেখে যোগীর অব্যহত চাপে অবশেষে নতুন জায়গায় মসজিদ বানিয়ে দেওয়ার শর্তে পরবর্তীতে আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য হই।   আমাদের কাছে এখনো এই মসজিদ ও জায়গার মালিকানার দলিল রয়েছে, যেখানে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে এটি ১৮৫৭ সনেরও আগে নির্মিত।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

ভারত ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল

Update Time : 11:34:46 am, Tuesday, 25 February 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাটে ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো দেশটির উগ্র হিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্য নাথের সরকার।
র‍্যাপিড রেল ট্রানজিট নেটওয়ার্কের অজুহাতে মিরাট শহরের প্রসিদ্ধ দিল্লি রোডে অবস্থিত ১৬৮ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্য নাথের সরকার। খবর মুসলিম মিররের।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মসজিদটি ভাঙার আগে স্থানীয়দের ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্য নাথের প্রশাসন।
পরবর্তীতে ব্যাপক পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে রাতে মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্মতিতে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য মসজিদটি ভাঙার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু মসজিদের মুতাওয়াল্লি হাজি সালেহিন জানান, এবিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ২০ ফেব্রুয়ারি আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিলো কিন্তু অতি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক হওয়ায় আমরা এতে পুরোপুরি সম্মত ছিলাম না।
উপায়ন্তর না দেখে যোগীর অব্যহত চাপে অবশেষে নতুন জায়গায় মসজিদ বানিয়ে দেওয়ার শর্তে পরবর্তীতে আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য হই।   আমাদের কাছে এখনো এই মসজিদ ও জায়গার মালিকানার দলিল রয়েছে, যেখানে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে এটি ১৮৫৭ সনেরও আগে নির্মিত।