11:13 pm, Friday, 6 November 2026

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, জামায়াত আমিরের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে দেওয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তকে ভোটাধিকারে হস্তক্ষেপ বলেও আখ্যা দেন তিনি।

এই দেশের মানুষ একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। রক্তের বিনিময়ে এই অধিকার অর্জিত হয়েছে। মানুষ নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিতে চায়, প্রার্থী ও প্রতীক নিয়ে উদযাপন করতে চায়।

নির্বাচনের দিন গণতন্ত্রের উৎসব উদযাপনের দিনে পরিণত হওয়া উচিত। সেদিন গর্বভরে ভোটার লাইনে দাঁড়াবে, ছবি তুলবে, আর নিজের পছন্দের স্বাধীনতাকে উপভোগ করবে।

এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এই অধিকার কেড়ে নিতে চায় বা এতে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তবে তার মনে রাখা উচিত-এই জাতি প্রস্তুত। বিশেষ করে আমাদের তরুণ প্রজন্ম অধিকার রক্ষায় সদা প্রস্তুত আছে।

ভোটের অধিকার একবার লড়াই করে অর্জিত হয়েছে। প্রয়োজনে এই অধিকার আবারও লড়াই করেই রক্ষা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, জামায়াত আমিরের তীব্র প্রতিক্রিয়া

Update Time : 09:14:23 am, Monday, 9 February 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে দেওয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তকে ভোটাধিকারে হস্তক্ষেপ বলেও আখ্যা দেন তিনি।

এই দেশের মানুষ একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। রক্তের বিনিময়ে এই অধিকার অর্জিত হয়েছে। মানুষ নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিতে চায়, প্রার্থী ও প্রতীক নিয়ে উদযাপন করতে চায়।

নির্বাচনের দিন গণতন্ত্রের উৎসব উদযাপনের দিনে পরিণত হওয়া উচিত। সেদিন গর্বভরে ভোটার লাইনে দাঁড়াবে, ছবি তুলবে, আর নিজের পছন্দের স্বাধীনতাকে উপভোগ করবে।

এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এই অধিকার কেড়ে নিতে চায় বা এতে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তবে তার মনে রাখা উচিত-এই জাতি প্রস্তুত। বিশেষ করে আমাদের তরুণ প্রজন্ম অধিকার রক্ষায় সদা প্রস্তুত আছে।

ভোটের অধিকার একবার লড়াই করে অর্জিত হয়েছে। প্রয়োজনে এই অধিকার আবারও লড়াই করেই রক্ষা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।