4:16 am, Sunday, 2 August 2026

মৌসুমের আগেই আরও ভয়ানক রূপে ডেঙ্গু

 

ডেস্ক রিপোর্ট:মৌসুমের আগেই এ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, সব রেকর্ড ছাড়াতে পারে ডেঙ্গু। এবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অন্য বছরের তুলনায় বাড়ার আভাসও দিচ্ছেন তারা। আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্যও বলছে সে কথা। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে ডেঙ্গু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের মধ্যে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৭৫৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৬৪৮১ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ২২৭৬ জন।

জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে ৩ বার মশার জরিপ করে থাকে। প্রাক-বর্ষা, বর্ষা ও বর্ষাপরবর্তী জরিপ। সম্প্রতি প্রাক-বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত, পূর্ণাঙ্গ মশা ও লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপ ও ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ডে ১৮ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়।

জরিপের সঙ্গে যুক্ত কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার জানান, গতবারের চেয়ে এবার এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে।

জরিপে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, ‘গত প্রাক-বর্ষা মৌসুমের তুলনায় এ বছর এডিসের লার্ভা ৪ থেকে ৫ শতাংশ বেশি মিলেছে, যা আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে।’

আগস্ট- সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই কীটতত্ত্ববিদ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০০০ সালে প্রথম এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়। এর ব্যাপকতা দেখা দেয় ২০১৯ সালে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ সালে এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন এবং মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের। ২০২১ সালে রোগী ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন; আর মৃত্যু হয়েছিল ১০৫ জনের। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৬১ হাজার ৭৬৩ জন। এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ২৮১ জন, যা মৃত্যুর রেকর্ড গড়া ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০১৯ কিংবা ২০২২ সালের পরিস্থিতির চেয়েও চলতি বছর পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

ইতোমধ্যেই ডেঙ্গু প্রায় সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে- উল্লেখ করে অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, ‘শুধুমাত্র ঢাকায় নয়, বিভিন্ন জেলায় এমনকি সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে এডিস বাহিত এই জ্বর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, গাজীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী- এসব জেলায় এবার ডেঙ্গুর ব্যাপকতা বাড়বে। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে আশঙ্কা হচ্ছে- ২০১৯ কিংবা ২০২২ সালে ডেঙ্গুর যে ভয়াবহতা ছিল এর চেয়েও বেশি হতে পারে চলতি বছর।

জানা যায়, গত বছরের প্রাক-বর্ষা মৌসুমের জরিপে রাজধানীর ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা মিলেছিল। আর বর্ষাপরবর্তী জরিপে এটি ছিল ৪ শতাংশের বেশি। সদ্য সমাপ্ত জরিপে প্লাস্টিকের নানা ধরনের পাত্র, কোমল পানীয়ের বোতল, ফেলে দেয়া টায়ার, দইয়ের পাত্র, ডাবের খোসা, সিরামিকের পাত্র, ছাদবাগানের ফুলের টব, কলাপসিবল গেটের নিচের অংশ, পানির মিটারের কাছের গর্ত, গাড়ির গ্যারেজসহ অনেক কিছুতেই লার্ভা পাওয়া গেছে। বিশ্লেষকরাও বলছেন, এডিসের বংশ বিস্তারে এখন আর বৃষ্টির প্রয়োজন হয় না। ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সারাবছরই পানি জমিয়ে রাখা হয়। তাই মৌসুম ছাড়াও এডিস মশা পাওয়া যায়।

রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, ডেঙ্গুর ধরনের কারণে প্রকোপ বাড়ে বা কমে। ডেঙ্গুর ধরন ৪টি। এগুলো হলো- ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। কোনো ব্যক্তি এই ৪ ধরনের যে কোনো একটি ধরনে আক্রান্ত হলে ওই ব্যক্তির ওই ধরনের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে ওঠে। অর্থাৎ কেউ ডেন-১ এ আক্রান্ত হলে পরের বার ডেন-১ দিয়ে আক্রান্ত হবেন না। বাকি অন্য ৩টি ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। রোগতত্ত্ব রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানও (আইইডিসিআর) বলছে, এ বছর ডেন-২ ও ডেন-৩ দিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।

এদিকে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের যে সংখ্যা, সেটিও উদ্বেগের বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হচ্ছে, এবছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শক সিনড্রোমে বেশি রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, দেশে প্রথম ডেঙ্গু ছড়ায় ২০০০ সালে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে ২০১৯ সালে। আক্রান্ত হন ১ লাখের বেশি মানুষ আর মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের। তবে রেকর্ডসংখ্যক মৃত্যু হয় গত বছর ২৮১ জনের। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮ হাজার। মারা গেছেন অর্ধশত।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর এ দুই মাসে আক্রান্ত হন প্রায় ৭০ হাজার আর মারা যান ১০৮ জন। ২০২১ সালেও আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরই ছিল পিক টাইম। যদিও গত বছর ডেঙ্গু মাথাচাড়া দেয় অক্টোবর এবং নভেম্বরে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহের আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় আক্রান্তদের স্বপ্রণোদিত চিকিৎসা বা ওষুধ সেবন না করার পরামর্শ তার। বলেন, ‘সবাইকে এ নিয়ে সচেতন হতে হবে।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শ্রীমঙ্গলে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযান, বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

মৌসুমের আগেই আরও ভয়ানক রূপে ডেঙ্গু

Update Time : 06:36:49 am, Monday, 3 July 2023

 

ডেস্ক রিপোর্ট:মৌসুমের আগেই এ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, সব রেকর্ড ছাড়াতে পারে ডেঙ্গু। এবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অন্য বছরের তুলনায় বাড়ার আভাসও দিচ্ছেন তারা। আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্যও বলছে সে কথা। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে ডেঙ্গু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের মধ্যে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৭৫৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৬৪৮১ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ২২৭৬ জন।

জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে ৩ বার মশার জরিপ করে থাকে। প্রাক-বর্ষা, বর্ষা ও বর্ষাপরবর্তী জরিপ। সম্প্রতি প্রাক-বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত, পূর্ণাঙ্গ মশা ও লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপ ও ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ডে ১৮ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়।

জরিপের সঙ্গে যুক্ত কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার জানান, গতবারের চেয়ে এবার এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে।

জরিপে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, ‘গত প্রাক-বর্ষা মৌসুমের তুলনায় এ বছর এডিসের লার্ভা ৪ থেকে ৫ শতাংশ বেশি মিলেছে, যা আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে।’

আগস্ট- সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই কীটতত্ত্ববিদ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০০০ সালে প্রথম এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়। এর ব্যাপকতা দেখা দেয় ২০১৯ সালে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ সালে এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন এবং মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের। ২০২১ সালে রোগী ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন; আর মৃত্যু হয়েছিল ১০৫ জনের। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৬১ হাজার ৭৬৩ জন। এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ২৮১ জন, যা মৃত্যুর রেকর্ড গড়া ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০১৯ কিংবা ২০২২ সালের পরিস্থিতির চেয়েও চলতি বছর পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

ইতোমধ্যেই ডেঙ্গু প্রায় সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে- উল্লেখ করে অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, ‘শুধুমাত্র ঢাকায় নয়, বিভিন্ন জেলায় এমনকি সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে এডিস বাহিত এই জ্বর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, গাজীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী- এসব জেলায় এবার ডেঙ্গুর ব্যাপকতা বাড়বে। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে আশঙ্কা হচ্ছে- ২০১৯ কিংবা ২০২২ সালে ডেঙ্গুর যে ভয়াবহতা ছিল এর চেয়েও বেশি হতে পারে চলতি বছর।

জানা যায়, গত বছরের প্রাক-বর্ষা মৌসুমের জরিপে রাজধানীর ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা মিলেছিল। আর বর্ষাপরবর্তী জরিপে এটি ছিল ৪ শতাংশের বেশি। সদ্য সমাপ্ত জরিপে প্লাস্টিকের নানা ধরনের পাত্র, কোমল পানীয়ের বোতল, ফেলে দেয়া টায়ার, দইয়ের পাত্র, ডাবের খোসা, সিরামিকের পাত্র, ছাদবাগানের ফুলের টব, কলাপসিবল গেটের নিচের অংশ, পানির মিটারের কাছের গর্ত, গাড়ির গ্যারেজসহ অনেক কিছুতেই লার্ভা পাওয়া গেছে। বিশ্লেষকরাও বলছেন, এডিসের বংশ বিস্তারে এখন আর বৃষ্টির প্রয়োজন হয় না। ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সারাবছরই পানি জমিয়ে রাখা হয়। তাই মৌসুম ছাড়াও এডিস মশা পাওয়া যায়।

রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, ডেঙ্গুর ধরনের কারণে প্রকোপ বাড়ে বা কমে। ডেঙ্গুর ধরন ৪টি। এগুলো হলো- ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। কোনো ব্যক্তি এই ৪ ধরনের যে কোনো একটি ধরনে আক্রান্ত হলে ওই ব্যক্তির ওই ধরনের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে ওঠে। অর্থাৎ কেউ ডেন-১ এ আক্রান্ত হলে পরের বার ডেন-১ দিয়ে আক্রান্ত হবেন না। বাকি অন্য ৩টি ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। রোগতত্ত্ব রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানও (আইইডিসিআর) বলছে, এ বছর ডেন-২ ও ডেন-৩ দিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।

এদিকে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের যে সংখ্যা, সেটিও উদ্বেগের বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হচ্ছে, এবছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শক সিনড্রোমে বেশি রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, দেশে প্রথম ডেঙ্গু ছড়ায় ২০০০ সালে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে ২০১৯ সালে। আক্রান্ত হন ১ লাখের বেশি মানুষ আর মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের। তবে রেকর্ডসংখ্যক মৃত্যু হয় গত বছর ২৮১ জনের। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮ হাজার। মারা গেছেন অর্ধশত।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর এ দুই মাসে আক্রান্ত হন প্রায় ৭০ হাজার আর মারা যান ১০৮ জন। ২০২১ সালেও আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরই ছিল পিক টাইম। যদিও গত বছর ডেঙ্গু মাথাচাড়া দেয় অক্টোবর এবং নভেম্বরে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহের আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় আক্রান্তদের স্বপ্রণোদিত চিকিৎসা বা ওষুধ সেবন না করার পরামর্শ তার। বলেন, ‘সবাইকে এ নিয়ে সচেতন হতে হবে।’