9:25 pm, Friday, 22 May 2026

রাজনগর উপজেলার তারাপাশা গ্রামের গীতা রানী জীবিত থেকেও ৩ বছর ধরে ‘মৃত’

স্টাফ রিপোর্টার : রাজনগর উপজেলার তারাপাশা গ্রামের ব্যবসায়ী লিটন দেব। তার মা গীতা রানী এখনও জীবিত আছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে তাকে মৃত হিসেবে রেকর্ড করায় মায়ের করোনার টিকার নিবন্ধন করতে পারছেন না লিটন দেব। রোববার (৩০ আগস্ট) লিটন দেব বলেন, মায়ের নাম মৃতের তালিকায় দেখে বিভ্রান্তিতে পড়েছি।

মাকে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে গিয়ে এমন তথ্য বেরিয়ে আসে। বিষয়টি সমাধানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস পর্যন্ত ছুটেছি। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। তিনি বলেন, টিকার নিবন্ধন করার সময় তথ্য আপলোড না হওয়ায় প্রথমে মনে করি সার্ভার ডাউন। এভাবে পরপর দুদিন চেষ্টা করি। তারপরও তথ্য আপলোড করাতে ব্যর্থ হই। পরে রাজনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে জানতে পারি তিন বছর আগে থেকেই নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে মায়ের নাম মৃতের তালিকায় রয়েছে।

এখন বিভিন্ন জায়গা ঘুরেও এর সমাধান হচ্ছে না। মায়ের করোনার টিকার নিবন্ধনও করাতে পারছি না। এ বিষয়ে কামারচাক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাজমুল হক সেলিম বলেন, এটি বিভ্রান্তিমূলক। তবে বিষয়টির সমাধানে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। এরপর আমাদের কাছে আসবে। পরে আমরা এটি ডিজি স্যারের কাছে পাঠাবো। তিনি বিষয়টির সমাধান করে দেবেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

রাজনগর উপজেলার তারাপাশা গ্রামের গীতা রানী জীবিত থেকেও ৩ বছর ধরে ‘মৃত’

Update Time : 06:28:52 pm, Monday, 30 August 2021

স্টাফ রিপোর্টার : রাজনগর উপজেলার তারাপাশা গ্রামের ব্যবসায়ী লিটন দেব। তার মা গীতা রানী এখনও জীবিত আছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে তাকে মৃত হিসেবে রেকর্ড করায় মায়ের করোনার টিকার নিবন্ধন করতে পারছেন না লিটন দেব। রোববার (৩০ আগস্ট) লিটন দেব বলেন, মায়ের নাম মৃতের তালিকায় দেখে বিভ্রান্তিতে পড়েছি।

মাকে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে গিয়ে এমন তথ্য বেরিয়ে আসে। বিষয়টি সমাধানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস পর্যন্ত ছুটেছি। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। তিনি বলেন, টিকার নিবন্ধন করার সময় তথ্য আপলোড না হওয়ায় প্রথমে মনে করি সার্ভার ডাউন। এভাবে পরপর দুদিন চেষ্টা করি। তারপরও তথ্য আপলোড করাতে ব্যর্থ হই। পরে রাজনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে জানতে পারি তিন বছর আগে থেকেই নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে মায়ের নাম মৃতের তালিকায় রয়েছে।

এখন বিভিন্ন জায়গা ঘুরেও এর সমাধান হচ্ছে না। মায়ের করোনার টিকার নিবন্ধনও করাতে পারছি না। এ বিষয়ে কামারচাক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাজমুল হক সেলিম বলেন, এটি বিভ্রান্তিমূলক। তবে বিষয়টির সমাধানে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। এরপর আমাদের কাছে আসবে। পরে আমরা এটি ডিজি স্যারের কাছে পাঠাবো। তিনি বিষয়টির সমাধান করে দেবেন।