7:19 am, Friday, 6 November 2026

সিলেটের সব উপজেলায় বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

সিলেট প্রতিনিধি : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তাঁকে বিদেশে পাঠানোর আন্দোলনকে দমন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার অভিযোগ, হবিগঞ্জে বিনা উসকানিতে পুলিশ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা করেছে।

তিনি দাবি করেন, পুলিশ গুলিবর্ষণও করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে গুলশানের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি হবিগঞ্জে গুলিবর্ষণ করে নেতা-কর্মীদের আহত করার প্রতিবাদ করেন।

সেই সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার সিলেট বিভাগের সব উপজেলায় এবং শনিবার সব জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

‘হবিগঞ্জে যে গুলিবর্ষণ হয়েছে, এর মূল কারণটাই ছিল হবিগঞ্জে বিএনপির একটা শক্তিশালী জায়গা আছে। সেখানকার বিএনপির নেতারা বরাবরই প্রমাণ করেছেন, সেখানে শক্তিশালী একটা সংগঠন আছে। সে জন্য এ জায়গায় তারা আঘাত করেছে। পুলিশ বিনা উসকানিতে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেছে’, বলেন ফখরুল।

‘পুলিশের নির্বিচারে লাঠিপেটায় বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জের জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুর ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহসান, যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান ছাড়াও আবদুল মতিন, শেখ রাসেল, গোলাম বাকী চৌধুরী, মানিক মিয়া, তৌহিদুর রহমান, বেলাল আহমেদ, আসিফুল ইসলাম, মুজাক্কির ইমন, গৌর চন্দ্র দাশ, মোশায়েদ আলম উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সাইদুর রহমানের চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। ’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

সিলেটের সব উপজেলায় বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

Update Time : 12:28:35 pm, Thursday, 23 December 2021

সিলেট প্রতিনিধি : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তাঁকে বিদেশে পাঠানোর আন্দোলনকে দমন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার অভিযোগ, হবিগঞ্জে বিনা উসকানিতে পুলিশ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা করেছে।

তিনি দাবি করেন, পুলিশ গুলিবর্ষণও করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে গুলশানের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি হবিগঞ্জে গুলিবর্ষণ করে নেতা-কর্মীদের আহত করার প্রতিবাদ করেন।

সেই সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার সিলেট বিভাগের সব উপজেলায় এবং শনিবার সব জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

‘হবিগঞ্জে যে গুলিবর্ষণ হয়েছে, এর মূল কারণটাই ছিল হবিগঞ্জে বিএনপির একটা শক্তিশালী জায়গা আছে। সেখানকার বিএনপির নেতারা বরাবরই প্রমাণ করেছেন, সেখানে শক্তিশালী একটা সংগঠন আছে। সে জন্য এ জায়গায় তারা আঘাত করেছে। পুলিশ বিনা উসকানিতে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেছে’, বলেন ফখরুল।

‘পুলিশের নির্বিচারে লাঠিপেটায় বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জের জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুর ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহসান, যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান ছাড়াও আবদুল মতিন, শেখ রাসেল, গোলাম বাকী চৌধুরী, মানিক মিয়া, তৌহিদুর রহমান, বেলাল আহমেদ, আসিফুল ইসলাম, মুজাক্কির ইমন, গৌর চন্দ্র দাশ, মোশায়েদ আলম উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সাইদুর রহমানের চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। ’