1:06 am, Monday, 8 June 2026

সুচিত্রা সেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিনোদন ডেস্ক :: সুচিত্রা সেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি অভিনেত্রীর নাম। এই মহানায়িকার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের এই দিনে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রেখে যান অসংখ্য ভক্ত। অভিনয়ে ছিলেন না বহুকাল। তবু তার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি। আর সেটা ভালো করেই নজরে পড়ে তার মৃত্যুর পর এতগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও।

১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের পাবনায় জন্ম হয় মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের। শৈশব কাটে সেখানেই। বাবা করুনাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাবা মায়ের পঞ্চম সন্তান ছিলেন সুচিত্রা। তার আরও একটি পরিচয়, কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনি ছিলেন তিনি।

কলকাতার বিশিষ্ট বাঙালি শিল্পপতি আদিনাথ সেনের ছেলে দীবানাথ সেনকে ১৯৪৭ সালে বিয়ে করেন সুচিত্রা। চলচিত্রে তার প্রথম পা রাখা হয় ১৯৫২ সালে। মহানায়ক উত্তম কুমারের সাথে ১৯৫৩ সালে “সাড়ে চুয়াত্তর” ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে। বক্স-অফিসে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে ছবিটি। আজও স্মরণীয় হয়ে আছে উত্তম-সুচিত্রা জুটি।

২৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অগ্নিপরীক্ষা, সাগরিকা, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সপ্তপদীর মতো সাড়াজাগানো সব চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ১৯৫৫ সালের ‘দেবদাস’ ছবির জন্য পান শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি। ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান এই মহানায়িকা। এরপর আর কোনোদিন জনসমক্ষে আসা হয়নি তার।

২০১৪ সালের ১৭ই জানুয়ারী কলকাতায় বেলভিউ হাসপাতালে চিকিতসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই নায়িকা। তার দুর্দান্ত অভিনয় এবং অপরূপ সৌন্দর্য আজও দাগ কেটে আছে কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ডেঙ্গু পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সুচিত্রা সেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Update Time : 12:18:25 pm, Monday, 17 January 2022

বিনোদন ডেস্ক :: সুচিত্রা সেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি অভিনেত্রীর নাম। এই মহানায়িকার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের এই দিনে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রেখে যান অসংখ্য ভক্ত। অভিনয়ে ছিলেন না বহুকাল। তবু তার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি। আর সেটা ভালো করেই নজরে পড়ে তার মৃত্যুর পর এতগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও।

১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের পাবনায় জন্ম হয় মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের। শৈশব কাটে সেখানেই। বাবা করুনাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাবা মায়ের পঞ্চম সন্তান ছিলেন সুচিত্রা। তার আরও একটি পরিচয়, কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনি ছিলেন তিনি।

কলকাতার বিশিষ্ট বাঙালি শিল্পপতি আদিনাথ সেনের ছেলে দীবানাথ সেনকে ১৯৪৭ সালে বিয়ে করেন সুচিত্রা। চলচিত্রে তার প্রথম পা রাখা হয় ১৯৫২ সালে। মহানায়ক উত্তম কুমারের সাথে ১৯৫৩ সালে “সাড়ে চুয়াত্তর” ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে। বক্স-অফিসে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে ছবিটি। আজও স্মরণীয় হয়ে আছে উত্তম-সুচিত্রা জুটি।

২৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অগ্নিপরীক্ষা, সাগরিকা, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সপ্তপদীর মতো সাড়াজাগানো সব চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ১৯৫৫ সালের ‘দেবদাস’ ছবির জন্য পান শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি। ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান এই মহানায়িকা। এরপর আর কোনোদিন জনসমক্ষে আসা হয়নি তার।

২০১৪ সালের ১৭ই জানুয়ারী কলকাতায় বেলভিউ হাসপাতালে চিকিতসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই নায়িকা। তার দুর্দান্ত অভিনয় এবং অপরূপ সৌন্দর্য আজও দাগ কেটে আছে কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে।