7:59 am, Tuesday, 7 July 2026

হরবাল গার্ডেনার চিকিৎসকের অভিনব কায়দায় বিপাকে ভুক্তভোগীরা: চেতনা নাশক ইনজেকশন দিয়ে জখমী সাজানোর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: কমলগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হারবাল এসিসটেন্ট (গার্ডেনার) রাধা গোবিন্দ পাল (৪৫) অভিনব কায়দায় চেতনা নাশক ইনজেকশন দিয়ে মাথায় গুরুত্বর জখম সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলা সাজানোর পথ বের করার অভিয়োগ পাওয়া গেছে।
গত ২৩জুলাই রাত সাড়ে ১০টায় ভানুগাছ বাজারে লাকী ফার্মেসী নামে তার ঔষধের দোকনে ব্লেড দিয়ে মাথার কেটে গুরুত্বর জখম সৃষ্টির সময় স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশে সোর্পদ করে। গত ২৪জুলাই কমলগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। মামলা নং-১৭,তারিখ ২৪/০৭/২৩ইং। গ্রেফতারকৃত রাধা গোবিন্দ পাল কমলগঞ্জ পৌরসভা কুমড়াকাপন এলাকার মৃত প্রদেশ পালের পুত্র। সে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স হারবাল এসিসটেন্ট(গার্ডেনার) পদে কর্মরত একজন কর্মচারী। এঘটনায় বিলের পার (কেওলাকান্দি) গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির আলী ছেলে মোঃ লিয়াকত আলী (৩২) বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানার একটি মামলা করেছেন। জানাযায়, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া থানায় একি কায়দায় মাথায় জখম সংক্রান্ত কয়েকটি মামলা হয়। এভাবে মোঃ লিয়াকত আলীর পবিারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্ব বিরোধের জের ধরে মফজ্জিল মিয়া (৪০) গং মাথায় গুরুত্বর জখমের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে জিআর ১০/১১৫/২৩(কুলা), মফজ্জিল মিয়া আত্বীয় কমলা বেগম জিআর ১৮৩/২৩(কুলা), হেলাল মিয়া জিআর ১১/৮২(কুলা)২৩ইং, তিনটি মামলা দায়ের করে। জিআর ১০/১১৫(কুলা) মামলায়মোঃ লিয়াকত আলী জেলে ছিলেন। জিআর ১৮৩/২৩ইং মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ঘুরছেন। মফজ্জিল মিয়া ছোট ভাই হেলাল মিয়ার জিআর ১১/৮২(কুলা) মামলা তদন্তাধিন আছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর জানতে পারেন কমলগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের হারবাল এসিসটেন্ট (গার্ডেনার) রাধা গোবিন্দ পাল এর মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে মাথায় এনেসথেটিয়া ইনজেকশন দ্বারা অবশ করে মাথার চামড়া ব্রেড দ্বারা কেটে গুরুত্বর জখম সৃষ্টি করে দেন। পরে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পুলিশ কেইস লিখিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে মামলা করেন। এসব মিথ্যা মামলা দায়ের করায় লিয়াকত আলী গোপনীয় ভাবে জানতে পারেন মফজ্জিল মিয়া (৪০),হেলাল মিয়া(২২), আরজু মিয়া, কমলা বেগম(৩৫), টাকার বিনিময়ে ব্লেড দিয়ে মাথার কেটে গুর“তর জখম করে তাদের উপর মিথ্যা মামলা করেন। বিষয়টি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য লিয়াকত আলী তার ভাবি রোকসানা আক্তার (৩৩)কে ২৩মে রাত সাড়ে ১০টায় ভানুগাছ বাজারে “লাকী ফার্মেসতে নিয়ে আসেন। এসময় রাধা গোবিন্দ্র পালকে তার ভাবির মাথা কেটে গুর“ত্বর জখম সৃষ্টি করার জন্য অনুরোধ করেন। রাধা গোবিন্দ পাল ১০ (দশ) হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে সম্মত হন। লিয়াকত আলী টাকা দিতে রাজি হলে রোকসানা আক্তার (৩৩) এর মাথায় অবসের ইনজেকশন দেয় এবং বে¬ড দিয়ে মাথার কাটার জন্য প্রস্তুতি নিলে রোকসানা আক্তার চিৎকার দিয়ে উঠে। তখন লিয়াকত আলীসহ আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রাধা গোবিন্দ পালকে আটক করেন। পরে কমলগঞ্জ থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। এভাবে রাধা গোবিন্দ পাল গ্রেফতারের পর আরো অসংখ্য একি রকমের ঘটনা কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া থানা এলাকার বিভিন্ন লোকজন তার কাছে টাকার বিনিময়ে গুরুতর জখম সৃষ্টি করে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিপন্নকারী কাজ করছে বলে অভিযোগ আসছে। জিআর ২৯৩/২২ইং(কুলা), জিআর ১০২/২৩ইং (কমল), জিআর ২৪/৬৮/২৩ ইং নং মামলার ভিকটিমের মাথায় মারাত্বক জখম রাধা গোবিন্দ পালের মাধ্যমে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার জেলা তথ্য অফিসার আনোয়ার হোসেন উপপরিচালক পদে পদোন্নতি

হরবাল গার্ডেনার চিকিৎসকের অভিনব কায়দায় বিপাকে ভুক্তভোগীরা: চেতনা নাশক ইনজেকশন দিয়ে জখমী সাজানোর অভিযোগ

Update Time : 09:57:54 am, Wednesday, 2 August 2023

স্টাফ রিপোর্টার: কমলগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হারবাল এসিসটেন্ট (গার্ডেনার) রাধা গোবিন্দ পাল (৪৫) অভিনব কায়দায় চেতনা নাশক ইনজেকশন দিয়ে মাথায় গুরুত্বর জখম সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলা সাজানোর পথ বের করার অভিয়োগ পাওয়া গেছে।
গত ২৩জুলাই রাত সাড়ে ১০টায় ভানুগাছ বাজারে লাকী ফার্মেসী নামে তার ঔষধের দোকনে ব্লেড দিয়ে মাথার কেটে গুরুত্বর জখম সৃষ্টির সময় স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশে সোর্পদ করে। গত ২৪জুলাই কমলগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। মামলা নং-১৭,তারিখ ২৪/০৭/২৩ইং। গ্রেফতারকৃত রাধা গোবিন্দ পাল কমলগঞ্জ পৌরসভা কুমড়াকাপন এলাকার মৃত প্রদেশ পালের পুত্র। সে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স হারবাল এসিসটেন্ট(গার্ডেনার) পদে কর্মরত একজন কর্মচারী। এঘটনায় বিলের পার (কেওলাকান্দি) গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির আলী ছেলে মোঃ লিয়াকত আলী (৩২) বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানার একটি মামলা করেছেন। জানাযায়, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া থানায় একি কায়দায় মাথায় জখম সংক্রান্ত কয়েকটি মামলা হয়। এভাবে মোঃ লিয়াকত আলীর পবিারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্ব বিরোধের জের ধরে মফজ্জিল মিয়া (৪০) গং মাথায় গুরুত্বর জখমের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে জিআর ১০/১১৫/২৩(কুলা), মফজ্জিল মিয়া আত্বীয় কমলা বেগম জিআর ১৮৩/২৩(কুলা), হেলাল মিয়া জিআর ১১/৮২(কুলা)২৩ইং, তিনটি মামলা দায়ের করে। জিআর ১০/১১৫(কুলা) মামলায়মোঃ লিয়াকত আলী জেলে ছিলেন। জিআর ১৮৩/২৩ইং মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ঘুরছেন। মফজ্জিল মিয়া ছোট ভাই হেলাল মিয়ার জিআর ১১/৮২(কুলা) মামলা তদন্তাধিন আছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর জানতে পারেন কমলগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের হারবাল এসিসটেন্ট (গার্ডেনার) রাধা গোবিন্দ পাল এর মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে মাথায় এনেসথেটিয়া ইনজেকশন দ্বারা অবশ করে মাথার চামড়া ব্রেড দ্বারা কেটে গুরুত্বর জখম সৃষ্টি করে দেন। পরে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পুলিশ কেইস লিখিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে মামলা করেন। এসব মিথ্যা মামলা দায়ের করায় লিয়াকত আলী গোপনীয় ভাবে জানতে পারেন মফজ্জিল মিয়া (৪০),হেলাল মিয়া(২২), আরজু মিয়া, কমলা বেগম(৩৫), টাকার বিনিময়ে ব্লেড দিয়ে মাথার কেটে গুর“তর জখম করে তাদের উপর মিথ্যা মামলা করেন। বিষয়টি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য লিয়াকত আলী তার ভাবি রোকসানা আক্তার (৩৩)কে ২৩মে রাত সাড়ে ১০টায় ভানুগাছ বাজারে “লাকী ফার্মেসতে নিয়ে আসেন। এসময় রাধা গোবিন্দ্র পালকে তার ভাবির মাথা কেটে গুর“ত্বর জখম সৃষ্টি করার জন্য অনুরোধ করেন। রাধা গোবিন্দ পাল ১০ (দশ) হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে সম্মত হন। লিয়াকত আলী টাকা দিতে রাজি হলে রোকসানা আক্তার (৩৩) এর মাথায় অবসের ইনজেকশন দেয় এবং বে¬ড দিয়ে মাথার কাটার জন্য প্রস্তুতি নিলে রোকসানা আক্তার চিৎকার দিয়ে উঠে। তখন লিয়াকত আলীসহ আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রাধা গোবিন্দ পালকে আটক করেন। পরে কমলগঞ্জ থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। এভাবে রাধা গোবিন্দ পাল গ্রেফতারের পর আরো অসংখ্য একি রকমের ঘটনা কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া থানা এলাকার বিভিন্ন লোকজন তার কাছে টাকার বিনিময়ে গুরুতর জখম সৃষ্টি করে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিপন্নকারী কাজ করছে বলে অভিযোগ আসছে। জিআর ২৯৩/২২ইং(কুলা), জিআর ১০২/২৩ইং (কমল), জিআর ২৪/৬৮/২৩ ইং নং মামলার ভিকটিমের মাথায় মারাত্বক জখম রাধা গোবিন্দ পালের মাধ্যমে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।