8:24 am, Friday, 22 May 2026

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে রকেট হামলা

ডেস্ক রিপোর্ট : লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুলহামিদ আল দিবেইবাহর বাসভবনে রকেট হামলা হয়েছে। রোববার সকালে তার বাসভবন লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি রকেট ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

লিবিয়ার মন্ত্রিসভার এক সদস্য রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যেসব রকেট ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর বিধ্বংসী ক্ষমতা গ্রেনেডের সমপর্যায়ের। তবে হামলায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনেরও বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

আবদুলহামিদ আল দিবেইবাহর বাসভবনের অবস্থান ত্রিপোলির অভিজাত এলাকা হায়ে আন্দালুসে। এই এলাকাটি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। হায়ে আন্দালুসের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার পর থেকে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে।

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় ২০১১ সালে ন্যাটো অভিযান শুরু করার পর ২০১৪ সালে পূর্ব লিবিয়া ও পশ্চিম লিবিয়া— দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় দেশটি। দুই অংশের প্রশাসন পরস্পরের প্রতি ব্যাপক বৈরী মনোভাব পোষণ করেন।

দিবেইবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের সরকার দুই অংশের মধ্যে বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করছে। ঐক্যবদ্ধ লিবিয়া গঠনের উদ্দেশ্যে ২০২১ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল দেশটিতে, কিন্তু সেই নির্বাচন এখনও হয়নি। পলে দেশটির রাজনৈতিক সংঘাত মেটার সম্ভাবনাও তেমন দেখা যাচ্ছে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে রকেট হামলা

Update Time : 09:47:02 am, Monday, 1 April 2024

ডেস্ক রিপোর্ট : লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুলহামিদ আল দিবেইবাহর বাসভবনে রকেট হামলা হয়েছে। রোববার সকালে তার বাসভবন লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি রকেট ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

লিবিয়ার মন্ত্রিসভার এক সদস্য রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যেসব রকেট ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর বিধ্বংসী ক্ষমতা গ্রেনেডের সমপর্যায়ের। তবে হামলায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনেরও বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

আবদুলহামিদ আল দিবেইবাহর বাসভবনের অবস্থান ত্রিপোলির অভিজাত এলাকা হায়ে আন্দালুসে। এই এলাকাটি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। হায়ে আন্দালুসের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার পর থেকে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে।

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় ২০১১ সালে ন্যাটো অভিযান শুরু করার পর ২০১৪ সালে পূর্ব লিবিয়া ও পশ্চিম লিবিয়া— দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় দেশটি। দুই অংশের প্রশাসন পরস্পরের প্রতি ব্যাপক বৈরী মনোভাব পোষণ করেন।

দিবেইবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের সরকার দুই অংশের মধ্যে বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করছে। ঐক্যবদ্ধ লিবিয়া গঠনের উদ্দেশ্যে ২০২১ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল দেশটিতে, কিন্তু সেই নির্বাচন এখনও হয়নি। পলে দেশটির রাজনৈতিক সংঘাত মেটার সম্ভাবনাও তেমন দেখা যাচ্ছে না।