8:20 am, Friday, 22 May 2026

মৌলভীবাজারে বন্যার আশংকায় চিন্তিত নদী পাড়ের বাসিন্দারা

বিশেষ প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও কিছু স্থানে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মৌলভীবাজার জেলায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক গত বন্যায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হলেও বাঁধ মেরামত কাজ ধীর গতির কারণে পুনরায় বন্যা আতঙ্কে আছেন এলাকাবাসী। বর্ষার বেশিরভাগ সময় বাকি থাকায় ও ভারতের ত্রিপুরায় একটানা বৃষ্টি হলে আবারো প্লাবিত হবে মৌলভীবাজার। কিছুটা দেরি হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টার কথা বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। মনু নদের গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- বাঁধের ভাঙনের বড় অংশ এখনও রয়েছে উন্মুক্ত। জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ উপজেলাধীন স্থানীয়রা জানায়, প্রথম দিকে ভাঙন স্থান মেরামত কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজের ধীর গতির কারণে তারা আতঙ্কিত। কুলাউড়ার ঝিলের পাড় এলাকার মনিরুল হক জানান, অধিকাংশ ভাঙন এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। দ্রুত ভাঙা বাঁধের উন্মুক্ত স্থানসমূহ মেরামত করা না হলে এই স্থান দিয়ে পুনরায় বন্যার পানি ঢুকবে। কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের মতিন মিয়া জানান- গত বছরের ভয়াবহ বন্যার পরও যদি কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ে এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে এ বছর শুধু সম্পদ নয় জানমালেরও ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে। শুধু বাঁধ মেরামত করে লাভ হবে না। এখন দরকার নদী খননকাজ বাস্তবায়ন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

মৌলভীবাজারে বন্যার আশংকায় চিন্তিত নদী পাড়ের বাসিন্দারা

Update Time : 04:04:15 pm, Tuesday, 6 July 2021

বিশেষ প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও কিছু স্থানে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মৌলভীবাজার জেলায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক গত বন্যায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হলেও বাঁধ মেরামত কাজ ধীর গতির কারণে পুনরায় বন্যা আতঙ্কে আছেন এলাকাবাসী। বর্ষার বেশিরভাগ সময় বাকি থাকায় ও ভারতের ত্রিপুরায় একটানা বৃষ্টি হলে আবারো প্লাবিত হবে মৌলভীবাজার। কিছুটা দেরি হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টার কথা বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। মনু নদের গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- বাঁধের ভাঙনের বড় অংশ এখনও রয়েছে উন্মুক্ত। জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ উপজেলাধীন স্থানীয়রা জানায়, প্রথম দিকে ভাঙন স্থান মেরামত কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজের ধীর গতির কারণে তারা আতঙ্কিত। কুলাউড়ার ঝিলের পাড় এলাকার মনিরুল হক জানান, অধিকাংশ ভাঙন এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। দ্রুত ভাঙা বাঁধের উন্মুক্ত স্থানসমূহ মেরামত করা না হলে এই স্থান দিয়ে পুনরায় বন্যার পানি ঢুকবে। কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের মতিন মিয়া জানান- গত বছরের ভয়াবহ বন্যার পরও যদি কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ে এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে এ বছর শুধু সম্পদ নয় জানমালেরও ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে। শুধু বাঁধ মেরামত করে লাভ হবে না। এখন দরকার নদী খননকাজ বাস্তবায়ন।