3:43 am, Wednesday, 22 April 2026

করোনায় চলে গেলেন ‘মহাভারত’ অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক :: করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ‘মহাভারত’ অভিনেতা সতীশ কল। শনিবার (১০ এপ্রিল) ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ‘ইন্দ্র’।

কোভিড সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার একমাত্র বোনকে রেখে চলে গেলেন পাঞ্জাবি এই অভিনেতা।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর, দিন ছয়েক আগে থেকে জ্বরে ভুগছিলেন সতীশ। হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার পর তিনি আক্রান্ত বলে জানা যায়। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে থেমে গেলো তার জীবন।

জানা গেছে, একাধিক হিন্দি ছবি ও ধারাবাহিকে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন সতীশ। বি আর চোপড়া পরিচালিত ‘মহাভারত’-এর ‘দেবরাজ ইন্দ্র’ হিসেবে পরিচিতি পান সর্বাধিক। এছাড়া প্রায় ৩০০-র বেশি পাঞ্জাবি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

তবে শেষ জীবনটা খুবই অর্থকষ্টে দিন কেটেছে সতীশের।

২০১১ সালে মুম্বাই থেকে পাঞ্জাবে ফিরে যান অভিনেতা। সেখানে একটি অভিনয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেন তিনি। কিন্তু এর পরে তার পেশাগত জীবন হঠাৎই থমকে যায়। ২০১৫ সালে কোমরের হাড় ভেঙে পরবর্তী আড়াই বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। বৃদ্ধাশ্রমে দিন কাটতে থাকে তার। তার পরে একটি বাড়ি ভাড়া নেন। অর্থাভাবে লকডাউনের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস জোগাড় করতে খুব সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

করোনায় চলে গেলেন ‘মহাভারত’ অভিনেতা

Update Time : 07:48:34 am, Sunday, 11 April 2021

বিনোদন ডেস্ক :: করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ‘মহাভারত’ অভিনেতা সতীশ কল। শনিবার (১০ এপ্রিল) ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ‘ইন্দ্র’।

কোভিড সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার একমাত্র বোনকে রেখে চলে গেলেন পাঞ্জাবি এই অভিনেতা।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর, দিন ছয়েক আগে থেকে জ্বরে ভুগছিলেন সতীশ। হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার পর তিনি আক্রান্ত বলে জানা যায়। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে থেমে গেলো তার জীবন।

জানা গেছে, একাধিক হিন্দি ছবি ও ধারাবাহিকে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন সতীশ। বি আর চোপড়া পরিচালিত ‘মহাভারত’-এর ‘দেবরাজ ইন্দ্র’ হিসেবে পরিচিতি পান সর্বাধিক। এছাড়া প্রায় ৩০০-র বেশি পাঞ্জাবি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

তবে শেষ জীবনটা খুবই অর্থকষ্টে দিন কেটেছে সতীশের।

২০১১ সালে মুম্বাই থেকে পাঞ্জাবে ফিরে যান অভিনেতা। সেখানে একটি অভিনয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেন তিনি। কিন্তু এর পরে তার পেশাগত জীবন হঠাৎই থমকে যায়। ২০১৫ সালে কোমরের হাড় ভেঙে পরবর্তী আড়াই বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। বৃদ্ধাশ্রমে দিন কাটতে থাকে তার। তার পরে একটি বাড়ি ভাড়া নেন। অর্থাভাবে লকডাউনের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস জোগাড় করতে খুব সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি।