স্টাফ রিপোটার: বর্ণিল সাজে সেজে বাংলা নববর্ষ ১৪৩০-এর মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রতীকী উপস্থাপনের নানা বিষয় স্থান পেয়েছে। উৎসবপ্রিয় বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা বর্ষবরণের প্রধান অনুষঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান থেকে নেওয়া ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’।
এবারের মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির পক্ষ থেকে পালন না করলেও সাধারণ আইনজীবীগনের উদ্দ্যেগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তপন পাল তপুর নেতৃত্বে জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে থেকে শোভাযাত্রার বর্ণাঢ্য র্ ্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বর্ণাঢ্য র্যালীতে অংশ গ্রহণ করেন মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট সুধাময় রায়, নারী শিশু আদালতের স্পেশাল পিপি এডভোকেট নিখিল রঞ্জন দাশ,এডিশনাল পিপি এডভোকেট কৃপাসিন্ধু দাশ, আইন নথি সম্পাদক এডভোকেট নিয়ামূল হক, এপিপি এডভোকেট কাঞ্চন দাশগুপ্ত, এজিপি এডভোকেট জাহেদুল হক কচি, এডভোকেট সুভাষ ঘোষ, এডভোকেট সঞ্জিত কুমার ভট্টাচার্য্য,জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এডভোকেট আলতাফুর রহমান সুমন, এডভোকেট রুদ্রজিৎ ঘোষ মিশু, এডভোকেট ওলিউড়র রহমান,এডভোকেট দেলোওয়ার হোসেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য দীপক ধর, এডভোকেট সুরাইয়া খাতুন,এডভোকেট হুমাইরা ইসলাম, এডভোকেট প্রণব কান্তি দাশ রাকু, এডভোকেট নিতিশ দাশ প্রামুখ।
এ সময় জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তপন পাল তপু বলেন, পহেলা বৈশাখ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সমগ্র জাতি একই হৃদয়াবেগে একটি মোহনায় মিলিত হয়ে নববর্ষ কে বরণ করেন। বাংলা শুভ নববর্ষ সর্বজনীন ও একটি অসাম্প্রদায়িক উংসব।
সাধারন আইনজীবিরা বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ঐতিহ্যেবাহী মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি
র সাধারণ আইনজীবীগনের আয়োজনে শুভ নববর্ষ -১৪৩০ বঙ্গাব্দ-কে আনন্দঘন মুহূর্তে বরণ করতে এই উদ্দ্যেগ নিয়েছি। আমরা সবাইকে বাংলা শুভ নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢাল অভিনন্দন জানাই।
উল্লেখ” বর্ষবরণ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুসঙ্গ।সকল সঙ্কীর্ণতা, কুপম-ুকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পয়লা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। মনের ভিতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার শক্তি যোগায়, স্বপ্ন দেখায়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি,পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























