8:50 pm, Wednesday, 17 June 2026

আইএমএফের শর্তে রাজি না হয়ে উপায় নেই: পাক প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পেতে কড়া কড়া সব শর্তে রাজি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ অকল্পনীয়। আমাদের (আইএমএফের দেওয়া) যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে তাও চিন্তার বাইরে।’ খবর: ডন অনলাইন’র।
এরপরও আইএমএফের শর্তসমূহে রাজি হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই বলে স্বীকার করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। দেশটিতে সফরররত আইএমএফের প্রতিনিধিদল গতকাল শুক্রবার অর্থমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ইসহাক দারের সঙ্গে ছিলেন জ্বালানিমন্ত্রী খুররাম দস্তগির খানও। ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকের আলোচনায় পাকিস্তানের দিক থেকে নিরুপায় অবস্থা প্রতিফলিত হয়েছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উভয় পক্ষের মাঝে আলোচনা-দরকষাকষি চলবে।

পাকিস্তানের রিজার্ভ সর্বনিম্ন ৩ দশমিক ০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে গেছে। গত ২৭ জানুয়ারি এ তথ্য জানানো হয়। এ দিয়ে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে দেশটি। ফলে আইএমএফের ঋণবাবদে পাওয়া ডলারকে এখন আশীর্বাদ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান। এই ঋণ নেওয়া ব্যতীত কোনো উপায় দেখছে না শাহবাজ শরিফের সরকার।
আইএমএফ প্রস্তাবিত সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে মুদ্রার অলিখিত মূল্যসীমা তুলে দেওয়া, ১৬ শতাংশ পর্যন্ত তেলে দামবৃদ্ধি এবং ৩০ শতাংশ পর্যন্ত এলপিজির দামবৃদ্ধি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

শত শত নেতাকর্মী নিয়ে শ্রীমঙ্গলের সমাবেশে মোসারফ

আইএমএফের শর্তে রাজি না হয়ে উপায় নেই: পাক প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 08:59:27 am, Saturday, 4 February 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পেতে কড়া কড়া সব শর্তে রাজি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ অকল্পনীয়। আমাদের (আইএমএফের দেওয়া) যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে তাও চিন্তার বাইরে।’ খবর: ডন অনলাইন’র।
এরপরও আইএমএফের শর্তসমূহে রাজি হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই বলে স্বীকার করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। দেশটিতে সফরররত আইএমএফের প্রতিনিধিদল গতকাল শুক্রবার অর্থমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ইসহাক দারের সঙ্গে ছিলেন জ্বালানিমন্ত্রী খুররাম দস্তগির খানও। ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকের আলোচনায় পাকিস্তানের দিক থেকে নিরুপায় অবস্থা প্রতিফলিত হয়েছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উভয় পক্ষের মাঝে আলোচনা-দরকষাকষি চলবে।

পাকিস্তানের রিজার্ভ সর্বনিম্ন ৩ দশমিক ০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে গেছে। গত ২৭ জানুয়ারি এ তথ্য জানানো হয়। এ দিয়ে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে দেশটি। ফলে আইএমএফের ঋণবাবদে পাওয়া ডলারকে এখন আশীর্বাদ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান। এই ঋণ নেওয়া ব্যতীত কোনো উপায় দেখছে না শাহবাজ শরিফের সরকার।
আইএমএফ প্রস্তাবিত সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে মুদ্রার অলিখিত মূল্যসীমা তুলে দেওয়া, ১৬ শতাংশ পর্যন্ত তেলে দামবৃদ্ধি এবং ৩০ শতাংশ পর্যন্ত এলপিজির দামবৃদ্ধি।