4:03 am, Friday, 22 May 2026

কলকাতা সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত।

ভোট হচ্ছে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। মোট ৯৫০ জন প্রার্থী দলীয় প্রতীকে লড়ছেন। তারমধ্যে ৩৭৮ জন নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট নেওয়া হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৯টি বুথে। সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া চলছে ইলেকট্রনিক ভোটার মেশিনে (ইভিএমে)। কলকাতার মোট ভোটার সংখ্যা ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫৭ জন।

প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন। শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রাজ্য ও কলকাতার নারী-পুরুষ মিলিয়ে ২৩ হাজারের বেশি পুলিশ করা হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে ৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী। রাখা হয়েছে ৩২টি অ্যাম্বুলেন্স। সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া চলছে করোনাবিধি মেনে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এবারে এক হাজার ১৩৯ বুথকে উত্তেজনাপ্রবণ বুথ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ৭৮৬ বুথকে অতি স্পর্শকাতরের তালিকায় রাখা হয়েছে। ফলে ৭৮টি কুইক রেসপন্স টিমের পাশাপাশি রাখা হয়েছে ৩৫টি হেভি রেডিয়ো ফ্লাইং স্কোয়াড। এছাড়া মোতায়েন আছে ৩৫টি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। রাখা হয়েছে ৭৮টি কুইক রেসপন্স টিম। আছে ২৮৬টি সেক্টরে অতিরিক্ত সশস্ত্র বাহিনী পুলিশ। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

২০১৫ সালে সিটি নির্বাচনের নিরিখে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১৪টিতে জয় পায় মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস। বামেরা পেয়েছিল ১৫টি ওয়ার্ড। বিজেপি ৭টি ও কংগ্রেস জয় পায় ৫টি ওয়ার্ডে। বাকি ৩টি ওয়ার্ডে জয়ী হন নির্দল প্রার্থীরা।

আগামী ২১ ডিসেম্বর ভোটের ফল গণনা করা হবে। ইতোমধ্যে ১১টি ভোট গণনা কেন্দ্রের ৭৮৬টি অতি সংবেদনশীল ভোটকেন্দ্র রয়েছে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ওইদিনও কলকাতার বুথে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শান্তিতে সম্পন্ন করতে কলকাতা পুলিশ বদ্ধপরিকর।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

কলকাতা সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শুরু

Update Time : 01:25:42 pm, Sunday, 19 December 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত।

ভোট হচ্ছে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। মোট ৯৫০ জন প্রার্থী দলীয় প্রতীকে লড়ছেন। তারমধ্যে ৩৭৮ জন নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট নেওয়া হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৯টি বুথে। সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া চলছে ইলেকট্রনিক ভোটার মেশিনে (ইভিএমে)। কলকাতার মোট ভোটার সংখ্যা ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫৭ জন।

প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন। শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রাজ্য ও কলকাতার নারী-পুরুষ মিলিয়ে ২৩ হাজারের বেশি পুলিশ করা হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে ৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী। রাখা হয়েছে ৩২টি অ্যাম্বুলেন্স। সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া চলছে করোনাবিধি মেনে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এবারে এক হাজার ১৩৯ বুথকে উত্তেজনাপ্রবণ বুথ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ৭৮৬ বুথকে অতি স্পর্শকাতরের তালিকায় রাখা হয়েছে। ফলে ৭৮টি কুইক রেসপন্স টিমের পাশাপাশি রাখা হয়েছে ৩৫টি হেভি রেডিয়ো ফ্লাইং স্কোয়াড। এছাড়া মোতায়েন আছে ৩৫টি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। রাখা হয়েছে ৭৮টি কুইক রেসপন্স টিম। আছে ২৮৬টি সেক্টরে অতিরিক্ত সশস্ত্র বাহিনী পুলিশ। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

২০১৫ সালে সিটি নির্বাচনের নিরিখে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১৪টিতে জয় পায় মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস। বামেরা পেয়েছিল ১৫টি ওয়ার্ড। বিজেপি ৭টি ও কংগ্রেস জয় পায় ৫টি ওয়ার্ডে। বাকি ৩টি ওয়ার্ডে জয়ী হন নির্দল প্রার্থীরা।

আগামী ২১ ডিসেম্বর ভোটের ফল গণনা করা হবে। ইতোমধ্যে ১১টি ভোট গণনা কেন্দ্রের ৭৮৬টি অতি সংবেদনশীল ভোটকেন্দ্র রয়েছে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ওইদিনও কলকাতার বুথে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শান্তিতে সম্পন্ন করতে কলকাতা পুলিশ বদ্ধপরিকর।